Welcome, visitor! [ Register | Login

সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি

Pigeon Discussion February 13, 2014

Pigeon cage

সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি নিয়ে কিছু কথা বলব। কবুতর একটা আমন প্রানি যে, এটা মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মঠ ছাড়াও গ্রামের ১০০ ঘরের মধ্যে ৬০ ঘরেই কবুতর পালতে দেখা যায়। কবুতরের প্রতি মানুষের যে আকর্ষণ তা অন্য কিছুতে নাই। এটা মানুষের নেশা, পেশা, সখ ও সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম হিসাবে আজ পরিচিত। কবুতর প্রেমিদের সেই নেশা, পেশা ও ভাললাগার আর একধাপ এগিয়ে নিয়েছে সৌখিন কবুতর (fancy pigeon), এই সৌখিন কবুতর যে কত সুন্দর হতে পারে না দেখলে বিশ্বাস করা যাই না। আজ ইস্কুলের একজন ছাত্র থেকে শুরু করে অফিস আদালতের কর্মরত, সেনাবাহিনী, জর্জ, উকিল, পুলিশ কমিশনার এর মত সব উচ্চপদের মানুষ আজ এই কবুতর পালন কে সখ, নেশা যেটাই বলা হোক না কেন। আজ সবারই ভাললাগা ও ভালবাসার পাখিতে পরিনত হয়েছে এই কবুতর পালন। আজ সৌখিন কবুতর (fancy pigeon) পালন শুধু সখ বা নেশা না। এটা অনেক বড় পেশাতেও পরিনত হয়েছে। আজকাল অনেক শিক্ষিত বেকার যুবকরা এই পেশায় নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে। এই পেশায় সময় দিয়ে অনেক যুবকরা তাদের বাইরের আড্ডা, বা খারাপ সঙ্গ থেকেও নিজেদের রক্ষা করতে পারছে। একজন কবুতর খামারি নিজেও বলতে পারবে না যে তাকে খামারে সময় দিতে গিয়ে দিনটা কিভাবে কেটে যায়। অনেক সময় হইত ভেবেই পাওয়া যায় না যে দিনটা এত তারাতারি কিভাবে কাটল, আজ দিনটা কি ছোট নাকি? অনেকে আবেগের তাড়নায় বলে ফেলেন যে, বন্দি বা খাচায় পাখি বা কবুতর পালা উচিৎ না। আর এটা ইসলামে এটা নিষেধ। আসলে এটা একেবারেই ভিত্তিহীন কথা, যারা এধরনের কথা বলেন তারা না জেনেই বলে থাকেন। আর না জেনে কথা বলাটা মারাত্মক পাপ।

রসূল (সঃ) বলেন, “একজন মুসলিম যিনি একটি পোষা প্রাণী রাখতে পছন্দ করে, তার দায়িত্ব হল ভালমত এর যত্ন নেয়া,যথাযথ খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের ব্যাপারে খেয়াল করা আবশ্যক। কোন ব্যাক্তি যদি একটি পোষা প্রাণীর যত্নর ব্যাপারে উদাসীন বা উপেক্ষিত হয় তার কঠিন শাস্তি বর্ণনা করেছেন।“

সুতরাং কেউ যদি সত্যি সত্যি পাখি, প্রানি বা কবুতর পালতে চান তাহলে তাদের অবশ্যই এসব সর্ত মানতে হবে। যাই হোক যারা আগে থেকেই সৌখিন কবুতর পালেন তাদের ও যারা পালতে চান তারা আজ এই পোস্টটি পরে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন বলে আশা রাখি। আপনি কিভাবে একটি ভাল খামার গঠন করবেন?

১) জায়গা নির্বাচনঃ
খামারের জায়গা এমন হওয়া উচিৎ, যেখানে পর্যাপ্ত আল বাতাস ও রোদ আসে। অর্থাৎ গরমের সময় বাতাস ও শীতের সময় রোদ দুটোই পাওয়া যায়। গ্রামে যারা থাকেন তাদের এমন ধরনের জায়গা নির্বাচন নিয়ে তেমন বেগ পেতে হয় না। কিন্তু যারা শহরে থাকেন, বিশেষ করে সেটা যদি ভাড়া বাসা হয় তাহলে, তা হয় এক মহা বিপদের মত। আপনি আপনি যদি বাড়ির মালিক হন তাহলে আপনার ছাদে ঘর বানিয়ে,খামার তৈরি করতে পারেন। আর যদি ভাড়া থাকেন, তাহলে মালিকের অনুমতি নিয়ে, একটা ঘর বা বারান্দায় খামারের ব্যাবস্থা করতে পারেন।

২) কিভাবে পালবেনঃ
সৌখিন কবুতর দুই ভাবে পালা যায়, ক) ছাড়া অবস্থাই(কলোনি) ও খ) খাঁচার মধ্যে।
ছাড়া(কলোনি) অবস্থাই পালতে চাইলে খেয়াল রাখতে হবে যেন মিস ক্রস না হয়, তাহলে জাত নষ্ট হবার ভয় থাকে। তাই আমি খাঁচায় পালন করাটাই বেশি অগ্রাধিকার দিই।

৩) খাচার মাপ/আকার/সাইজঃ
খাঁচার আকার বা সাইজ কি হবে তা নির্ভর করে আপনি কি ধরনের কবুতর পালতে চাচ্ছেন তার উপর। যদি আপনি সুধু গিরিবাজ পালতে চান তাহলে। ১৪*১৪*১৬ ইঞ্চি হলে ভাল। আর যদি সৌখিন কবুতর পালতে চান তাহলে সাধারণত আদর্শ মাপ হল। ২৪*২৪*১৮ ইঞ্চি বা ২৪*২৪*২০ ইঞ্চি হলে আর ভাল। তবে খামারে সব খাঁচা একই মাপের হলে ভাল। এতে খামারের জাইগার ব্যাবস্থাপনা করাটা ভাল হয়।

৪) খাঁচা কোথাই পাবেন বা বানাবেন আর এর দামঃ
বাজারে বা এলাকায় তৈরি খাঁচা পাওয়া যায়। কিন্তু যা ৪০০-১২০০ টাকার মধ্যে, তবে এসব খাঁচার মান তেমন ভাল থাকে না। তাই ওডারি খাঁচা বা নির্দেশ মোতাবেক খাঁচা বানান ভাল যদিও দামের পার্থক্য খুব বেশি হয় না। কিন্তু ভাল মানের জিনিস পাওয়া যাই। যার রিসেল মূল্য ভাল হবে। ঢাকার নিমতলি পশু হাসপাতাল এর অপরপাশে এই ধরনের খাচার অনেক দোকান আছে যারা সুলভে খাঁচা তৈরি করে থাকে। যার মূল্য ১১৫ টাকা/কেজি থেকে ১৩০ টাকা/কেজি। দেখে নিবেন যেন খাঁচার তার টা একটু মোটা ও জং ধরা না হয়। ট্রে তা একটু মোটা শিট দিয়ে তৈরি করবেন জাতে সেটা জং ধরার ভয় না থাকে। খাঁচার শিক গুল অনেক সময় জং ধরা থাকে তাই খাঁচা আনার আগে রঙ করিয়ে নিলে আর ভাল হয়। আর অবশ্যই খাঁচা তৈরির পর ভাল করে দেখে নিবেন যেন কোণ গুলো ঠিক মত মেশিন দিয়ে ঘষা হয়েছে তা না হলে আপনার হাত ও কবুতরের পা কাটার ভয় থেকেই যাবে। খাঁচার ফাঁকটা(গ্যাপ) ৪*৪ ইঞ্ছি হয় বা এর কম বেশি করতে পারেন। এতে দুটি উপকার হবে এক আপনার খাঁচার খরচ কমে যাবে ও দুই খাবারের পাত্র খাঁচার বাইরে লাগান যাবে। কারন খাঁচার ভিতরে খাবারের পাত্র থাকলে কবুতর পানি ও খাবারের পাত্রে পায়খানা করতে পারে বা খাবার নষ্ট করার প্রবনতা তৈরি হতে পারে। যারা ভাড়া বাসায় থাকেন তারা খাঁচা আলাদা ভাবে বানলে ভাল এতে বাসা পরিবর্তন এর সময় খাঁচা নিতে সুবিধা হবে। যদিও এতে একটু খরচ বাড়তে পারে। কিন্তু এতে আপনি বেশি উপকারিত হবেন। আর খাঁচা যখন পরিবহন করবেন কবুতর সহ তখন অবশ্যই খাঁচা ঢেকে নিবেন। এতে কবুতরের ভয় পাবার বা স্ট্রেস হবার ভয় কম থাকে। আর যাদের নিজের বাড়ি তারা ৬ টা বা ৮ তার একটা সেট তৈরি করতে পারেন। তবে খাঁচার নিচের দিকে একটু বেশি গ্যাপ দিবার চেষ্টা করবেন এতে করে আপনার খাঁচার পরিচর্যা করতে সুবিধা হবে।

৫) খাবার ও পানির পাত্রঃ
খাবার ও পানির পাত্র টিনের না হয়ে প্লাস্টিক এর হলে ভাল হয় যাতে আপনি কিছুদিন পর পর ধুতে পারেন আর এটা জং ধরার ভয়ও থাকবে না। আর পাত্র গুলো একটু বড় ও গভির হলে ভাল কারন তাতে কবুতর খাবার গুলো নষ্ট করবে কম ও ফেলতেও পারবেন না। সবচেয়ে যেটা বেশি দরকার সেটা হল ঔষধ বা সাধারন অসুস্থ কবুতর কে খাওয়ানর জন্য নল লাগান syringe।

৬) ঔষধ ও ভিটামিন মজুতঃ
কথাই আছে ঘোড়া কেনার আগে লাগাম কেন গরু কেনার আগে দড়ি। তেমনি কবুতর পালনের আগেই আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও অ্যান্টিবায়টিক এর মজুত এর ব্যাপারে। যেমনঃ Doxivet, ESB30 (অ্যান্টিবায়টিক), Cosmix Plus, Electrolyte(saline), Biovit/Toxinil(ভিটামিন), Powermax Ws(মাল্টি ভিটামিন), Calcium Forte(ভিটামিন),Shafi,Febnil,Cinkara(tonic),Riboflabin,Flazil ইত্যাদি। এছাড়া হমিও কিছু ঔষধ যেমনঃ Belodona 30,Borax 30, Kali curb 30,Kali Hydro 30 ইত্যাদি জীবাণু নাশক ফার্ম ৩০, Timson,Virocid, Vircon S, Hexisol hand rub, Povisep,Detol,Antiseptic creme ঔষধ ও মজুত রাখলে ভাল। ঔষধ নিমতলি ভি-ফার্মা এ পাবেন। (মিঃইমরান চেল্ল#০১৭১৭৯২০৭১৮) আপনি পার্সেল যোগেও ঔষধ নিতে পারবেন।

৭) প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ
কিছু জিনিস যা আপনার হাতের কাছে রাখলে ভাল যেমনঃ কাচি, হ্যান্ড গ্লভস(৯০ টাকা), মাস্ক, আলাদা স্যান্ডেল, হ্যান্ড স্প্রে (যার দাম পড়বে অটো ৩ লিটার ১৮০ টাকা, আর বড় অটো ২০ লিটার ৯০০ টাকা।) ছেনি (ময়লা বা পায়খানা পরিস্কার এর জন্য।), এছাড়াও ঔষধ ও ভিটামিন রাখার জন্য ছোট বড় রঙ্গিন বোতলে রাখলে ভাল হয়। এছাড়াও খাবার রাখার জন্য একটা ঢাকনা ওয়ালা বড় পাত্র ও পানির বড় ঢাকনা ওয়ালা পাত্র হলে ভাল হয়, আর পানি পরিবেশনের জন্য একটা জগ ও খাবার দিবার একটা ছোট বাটি বা হাতল ওয়ালা ছেনি। গোসল করানর জন্য একটা টিনের বা প্লাস্টিক বড় টব।

৮) কি ধরনের বা জাতের কবুতর পালবেনঃ
কবুতর পালনের ৩টি স্তর আছে, যেমন –
ক) প্রথম স্তর/ পর্যায় = এই স্তরে একজন নতুন পালক নতুন ভাবে কবুতর অবস্থাই কবুতর পালন শুরু করেন। এই অবস্থাকে কঠিন অবস্থা বলা হয়। কারন এই পর্যায়ে একজন নতুন খামারে বেশি ঠকে থাকেন। এই অবস্থাই যে কবুতর দেখা হয় সেটাই ভাল লাগে। আর তাই ফাটা বেজাতের, মিস ক্রস, যেমন ইচ্ছে তেমন কবুতর সংগ্রহ করে খামার ভরিয়ে তুলেন। যে কবুতরের দাম ৫০০ টাকা তা ১০০০ টাকা দিয়ে এভাবে দুই গুন ৩ গুন দামে কবুতর কেনেন। আর কিছু অসাধু ব্যাবসায়ি ও খামারি এই সুযোগের অপেক্ষাতেই থাকেন। এই স্তর/ পর্যায় এর পালক অনেক সময় কম দাম এই স্তরের কবুতর পালক তার কেনা সব কবুতরই কিছু দিন পরে হারাতে বসেন। কারন তিনি জেনে না জেনে সুস্থ কবুতর যথাযথ জ্ঞানের অভাবে সাধারন চিকিৎসা দিতে বার্থ হন। ফলে সুস্থ কবুতর অসুস্থ ও পরে অসুস্থ কবুতর মারা যায়। তাই এই স্তরের পালকদের প্রতি আমার অনুরধ থাকবে, আগে কবুতর পালন শিখতে হবে। আর এর জন্য প্রথমে লক্ষা,সিরাজি, হোমার,এই ধরনের কবুতর পালন করে হাত জস/পাকাতে হবে। কারন সৌখিন কবুতর দেশি/গিরিবাজ কবুতরের মত না এগুলোর রোগবালাই একটু বেশিই হয়।

খ) দ্বিতীয় স্তর/ পর্যায়ঃ
এই পর্যায়ে একজন খামারি কিছুটা অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকে। আর তার ভুলের কারনে নিজের প্রতি ও তাকে যারা ঠকিয়েছে তাদের প্রতি একটু বিরিক্ত বোধ করে। অনেকেই পালন ছেড়েই দেন। আর অনেকেই পুরান ভুল সুধরানর জন্য ফাটা বা বেজাতের কবুতর গুলোকে বিক্রি করেই হোক বা দান করেই হোক বা জবাই করেই হোক খামার থেকে এক প্রকার তরিঘরি করে, আবার নতুন করে তৈরি করার পরিকল্পনা করে থাকে। এই পর্যায়ে এই স্তরের পালক রিং ও আমদানিকৃত কবুতরের প্রতি ঝুকে বেশি। যা তাকে আরেকটি ভুল পথে পা বাড়ায়। আর যেহেতু আগে অনেক দাম দিয়ে ফেলেছেন তাই এই স্তর/ পর্যায় এ কম দামে ভাল কবুতর কিনতে যান। ফলে দ্বিতীয় বারের মত ভুল করে বসেন। আর যেহেতু এই স্তরের খামারি রিং সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। আর এই সুযোগে সেই সকল ব্যাবসায়ি ও খামারি নিজের সরবরাহকৃত রিং, সেই অলিক রিং বলে চালিয়ে দেয়। আর আমদানিকৃত কবুতর কিনে ১ বছরেও ডিম না পেয়ে হতাশায় ডুবে যান। তখন খামার করবে না ছাড়বেন, এই ধরের দোটানায় থাকেন। আমার এই পর্যায়ের খামারির প্রতি অনুরোধ, রিং বা আমদানিকৃত কবুতরের পিছনে না ছুটে। ভাল মারকিং, ও জাতের কবুতর সংগ্রহ করুন। দাম যাচাই করে। এই স্তরের খামারি যেহেতু কিছুটা অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকে তাই তাদের একটু ভাল জাতের ও দামের কবুতর পালনে যেতে পারেন। যেমনঃ পটার, স্ত্রেসার, কিং, জ্যাকবিন, বিউটি হুমার, হলুদ লক্ষা, হেলমেট, নান ইত্যাদি।

গ) তৃতীয় স্তর/ পর্যায়ঃ
এই স্তর/ পর্যায় এর খামারি অনেক কাঠ খড় পুরিয়ে, রোদেজলে থেকে, অনেক ঠক খেয়ে,অনেক ভালবাসার ও পছন্দের কবুতর হারিয়ে। খাঁটি খামারি হয়ে যান। আর এই পর্যায়ের খামারি চিনতে শিখেন সেই সব কবুতর ব্যাবসাই ও ঠকবাজদের। আর চিনতে শিখেন আসল রিং আর কোনটা নকল। কোনটা আমদানিকৃত আর কোনটা লোকাল। তিনি জানতে শিখেন আমদানিকৃত কবুতর কিনে কি করতে হবে। আর এই পর্যায়ের কবুতের পালক বা খামারি দের আমার কোন উপদেশ নেয় কারন তারা যদি একটু নিজের বিচার বুদ্ধি খাটায় তাহলেই তারা একজন সফল খামারি হতে পারবেন। আপনি যে স্তরের খামারি হন না কেন অল্প পালেন কিন্তু ভাল জাতের কবুতর পালেন।

৯) ফসটার কবুতর তৈরিঃ
কিছু কবুতর আছে যারা নিজেদের ডিম বা বাচ্চা নিজেরাই করে আর কিছু দামি কবুতর তারা এটা করতে পারে না। তাদের দেহের গঠন এর কারনেই হোক বা অন্য কারনেই হোক, এসব কবুতরের ডিম তা দিবার জন্য বা বাচ্চা তুলা ও বাচ্চা পালনের জন্য কিছু শক্ত সামর্থ্য কবুতর রাখতে হয়। আর এটা করতে হয়। এক জোড়ার জন্য দুই জোড়া ফসটার। যেমনঃ পটার, স্ত্রেসার,কিং,জ্যাকবিন ইত্যাদি ডিম ফস্তারিং করলে ভাল। এক্ষেত্রে ডিম দিবার ও চালার তারিখ মনে রাখতে বা লিখে রাখতে হবে। আর এর পার্থক্য ২-৩ দিনের ব্যাবধানের বেশি যেন না হয়।

১০) কবুতরের খাবারঃ
কবুতরের খাবার একজন খামারির জন্য অন্যতম উপাদান। একজন খামারি কি খাবার দিবেন বা একজন খামারি কিভাবে খাবার সংরক্ষণ করবেন তার উপর তার সফলতা ও বার্থতা নির্ভর করে থাকে। কারন কবুতরের অধিকাংশ রোগ ও ব্রিডিং ক্ষমতা এই খাবারের উপরি নির্ভর করে। একজন খামারি শুধু গম বা ধান দিয়ে তার দায়িত্ব সারতে পারবে না। অনেকেই আছেন যে ব্যাবসার চিন্তা মাথাই থাকে বলে, খাবারের পিছনে বেশি খরচ করতে চান না। যাতে তার ব্যাবসার ক্ষতি না হয়। কিন্তু ব্রিডিং কম ও ডিম না ফুটা বা বাচ্চা ভাল মত না হবার কারনে যে তার কত ক্ষতি হচ্ছে তিনি সেটা মনে রাখেন না। আপনি আপনার কবুতর কে কি ধরনের খাবার দিবেন তা খাবারের পোস্ট এ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে একটু দেখে নিবেন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন অলসতা করে বা আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে সাধারন মিক্স খাবার বেশি দামে কিনবেন না। আপনার খাবার আপনি নিজেই কিনুন। এতে আপনার খরচ বাচবে ও অভিজ্ঞতাও সঞ্চয় হবে। আর খাবার কখন দিবেন কিভাবে দিবেন এটা আপনার উপর নির্ভর করে। তবে খাবার দিনে ২ বার দিবেন ও তুলে নিবেন পানি যেন সব সময় থাকে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন। আর পানি যদি নষ্ট করে তাহলে তাড়াতাড়ি পরিবর্তন করে ফেলবেন। তবে যে কবুতর ডিম পেড়েছে, বা বাচ্চা আছে, বা তাদের খাবার সব সময় রাখা ভাল এতে বাচ্চার আকার বড় হয়। আর এই অবস্থায় গ্রিট এর সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। আর খাবারের ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন যেন ডাবলির পরিমান বেশি থাকে কারন এটা কবুতরের জন্য খুবই স্বাস্থ্যকর খাবার।

১১) গ্রিটঃ
গ্রিট কবুতর ও ঘুঘুর জন্য অন্যতম একটি খাদ্য উপাদানের মত। যদিও পাখিদের গ্রিট দিয়া হয়। যা কবুতরের গ্রিট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। গ্রিট মূলত কবুতরের খাদ্য ও বীজ হজমে বিশেষ ভুমিকা রাখে। যদিও অনেকেই মনে করেন যে গ্রিট ডিমের খোসা শক্ত করে ক্যালসিয়াম এর অভাব পুরন করে ইত্যাদি। কিন্তু এই ধারনা একেবারেই ভুল। গ্রিট ক্যালসিয়াম এর কিছুটা অভাব পুরন করে, ঝিনুক শেল,সমুদ্রের ফেনা ইত্যাদির কারনে, কিন্তু এর উদ্দেশ্য এটা না। গ্রিট এর ব্যাপারে একটা বিষয় খুবই খেয়াল রাখতে হবে যে, তৈরি গ্রিট যেখান থেকেই কিনুন না কেন, খেয়াল রাখবেন যেন শামুকের শেল না থাকে। এটা কবুতরের অনেক ক্ষতি করে থাকে। অনেকের ধারনা বাজারে যে গ্রিট কিনতে পাওয়া যায় তা ভাল না। অথচ যারা নতুন কবুতর পালে তাদের প্রথম এই গ্রিট দিয়েই শুরু করে। অনেকেই ব্যাবসায়িক চিন্তা থেকে বলে থাকেন যে বাইরের গ্রিট দিবেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমি বলি বাইরের গ্রিট যদি আপনি গরম করে আপনার কবুতর কে সরবরাহ করেন তাহলে আপনার ভয়ের কোন কারন নাই। তবে আপনি নিজে গ্রিট তৈরি করতে পারলে ভাল। গ্রিট তৈরির পদ্ধতি নিয়ে একটা পোস্ট আছে। অনুগ্রহ করে দেখে নিবেন।

১২) কবুতরের রোগ ব্যাধিঃ
কবুতরের যত ধরনের রোগ আছে সেগুল নিয়ে অনেক পোস্ট দিয়া হয়েছে। যা এই সাইট আ সংরক্ষণ করা আছে। তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, আপনি যদি সাল্মনেল্লা (salmonella) ক্রিমি ও কবুতরের শরীরের মাইট কে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন তাহলে কবুতর পালন নিয়ে আপনাকে আর চিন্তা করতে হবে না। মনে রাখবেন যে, কবুতরের রোগে না মরে তার থেকে বেশি মরে উল্টাপাল্টা ঔষধ ও রোগ নির্ণয়ের অভাবে। অধিক পরিমানে ও মাত্রার অ্যান্টিবায়টিক এর ব্যাবহারের ফলে, তাই এগুলোর ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকবেন।

১৩) ব্রিডিং পেয়ার তৈরিঃ
একটা ব্রিডিং জোড়া তৈরি করাটা খুবই কঠিন একটা ব্যাপার। মানে আপনি যদি ভাল ডিম বাচ্চা করতে চান তাহলে আপনাকে অল্প বয়স থেকে তাকে তৈরি করতে হবে। যদিও অনেকেই পূর্ণ বয়স্ক কবুতর কিনতেই বেশি পছন্দ করে থাকেন। কিন্তু আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি পূর্ণ বয়স্ক কবুতর কিনতে গিয়ে বুড়ো কবুতর আবার না কিনে ফেলেন । এই জন্য নতুন পূর্ণ বয়স্ক কবুতর কিনতে পারেন। তবে জিরো পরের কবুতর কিনলে আপনি তাকে আপনার পরিবেশ ও খাবারের সাথে খাপ খাওয়া তে সুবিধা বেশি। একটা ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন জেন ব্রিডিং জোড়া কে পারতত পক্ষে অ্যান্টিবায়টিক না দিয়া আর যদিও দিতে হয় মধ্যম বা নিন্ম লেভেল এর অ্যান্টিবায়টিক দিবেন। তা না হলে অর ডিম পারার ক্ষমতা কমে যাবে।

১৪) খামারের নিরাপত্তাঃ
নিরাপদ খামার তৈরি আদর্শ খামারের পূর্ব শর্ত। খামার গঠনের পর আপনাকে চোর ও অনাখাঙ্খিত আগন্তক প্রতিরোধ করতে হবে। যেমনঃ বাইরের পাখি, বেড়াল, বেজি, কাক ইত্যাদি। আপনার কোন অতিথি কে খামার দেখাতে হলে অবশ্যই খামারের স্যান্ডেল ব্যাবহার করবেন। বাইরের ময়লা যেন আপনার খামারে প্রবেশ না করে। আর অনর্থক কবুতর দের বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আর এ জন্য নিয়মিত জীবাণু নাশক ছিটাতে হবে। হাঁট থেকে কবুতর কেনার ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকবেন। আর নতুন কবুতর আনার পর কিছু নিয়ম মেনে তারপরই কেবল খামারে প্রবেশ করাবেন। আর খামারে নেট লাগাতে ভুলবেন না যাতে, মশা, মাছি ও পোকা, মাকড়ের হাঁট থেকে রক্ষা পেতে।

১৫) খামারের পরিচর্যাঃ
একটা খামারের মূল শত্রু হল,ইদুর, তেলেপোকা ও ধুলা। তাই যেকোন ভাবে এগুলো থেকে আপনার খামার কে মুক্ত রাখতে হবে। আর এরই লক্ষে আপনাকে প্রতি ২-৩ দিন অন্তর জীবাণু নাশক ছিটান, কবুতরের মল পরিস্কার করতে হবে। এর জন্য আপনি ট্রে তে কাগজ বা কাপর দিয়ে রাখতে পারেন। আর খাঁচাতে এক্তুক্রা কাঠ দিতে ভুলবেন না। আর পারলে ছোট একটুকরা কাপর বা চট(বস্থা কেটে) দিলে ভাল হয়। ডিম পারার জন্য হাড়ি দিবেন। আর তা নিয়মিত পরিস্কার করবেন। খাঁচাতে নাম্বার দিবেন, আর খাবার ও পানির পাত্রেও নাম্বার দিতে ভুলবেন না। ডিম পারার পর ডিমের পরিচর্যা করবেন নিয়মিত। কারন ডিমে যদি ৯০% আদ্রতা না থাকে তাহলে বাচ্চা ফুটার জন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। নিয়মিত ভাবে মাসিক ছক করে, উন্নত মানের ভিটামিন ও মিনারেলস দিবেন, লিভার টনিক দিবেন, ভালমানের খাবার দিবেন আর ২ মাস অন্তর ক্রিমির ঔষধ দিবেন। (মানুষের টা নয়)। সাল্মনেল্লা কোর্স করাবেন প্রতিমাসে। (অ্যান্টিবায়টিক দিয়ে নয়।) প্রতি সপ্তাহে নিজের মত করে গোসলের ব্যাবস্থা করবেন। সপ্তাহে না পারলে ১৫ দিনে বা মাসে একবারের জন্য হলেও এই ব্যাবস্থা করবেন। ৩ মাস অন্তর ধরে উকুন নাশক শ্যাম্পু দিয়ে গোসলের ব্যাবস্থা করবেন। সাধারণত একার পক্ষে কোন খামার পরিচর্যা সম্ভব হয় না। আর এ জন্য বাসার মানুষদের এতে সহযোগিতা নিতে পারেন। অথবা কেয়ার টেকার নিতে পারেন। কারন আপনি হয়ত চাকরি করেন বা ব্যাবসা করেন বা ইস্কুল ও কলেজে পড়েন। তাই হয়ত সময় নাও পেতে পারেন দুপুরে বা অন্য সময়ে যথাযথ ভাবে পরিচর্যা করার। আর এই ওজুহাতে আপনি আপনার খামারের কোন প্রকার গাফলতি করার কোন সুযোগ নেই। কারন একটা খামার কে যেমন লাইন এ আনতে কষ্ট করতে হয়। আর একবার ঠিক হয়ে গেলে আপনাকে এটা নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু আবার যদি কোন কারনে লাইনচূত হয় তাহলে তাকে আবার সঠিক পথে আনতে অনেক বেগ পেতে হয়। তাই এব্যাপারটা একটু খেয়াল রাখবেন। কোন কবুতর অসুস্থ হয়ে অনতিবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করতে হবে। যাতে করে অনাখাংকিত পরিস্থিতির মোকাবেলা সম্ভব হয়। আর বাচ্চা যখন বড় হবে ও খাওয়া শিখবে তখন তাদের তাড়াতাড়ি আলাদা করার ব্যাবস্থা করতে হবে। তানাহলে তারা পরবত্তি ডিম বা বাচ্চা কে মেরে ফেলার সম্ভাবনা থাকে।

১৬) কবুতরের আচার আচারন লক্ষ করা ও খামারে সময় দেয়াঃ
আপনার খামারের অন্যতম সাফল্য নির্ভর করে আপনি যদি আপনার কবুতরের আচার-আচরন ঠিকমত খেয়াল করেন। কারন এক এক কবুতরের আচারন এক এক রকম। তাই যখন এর পরিবর্তন দেখবেন তখনই বুঝবেন এর কোন সমস্যা হয়েছে। আর এর জন্য আপনাকে কিছু সময় কাটাতে হবে খামারে আপনার ভালবাসার কবুতরের পাশে। আর যেটা খুবই জরুরি সেটা হল রোগাক্রান্ত কবুতরের লক্ষণ গুলো ভাল মত লক্ষ করা। তার মধ্যে পায়খানা/ Dropping টা অন্যতম।

১৭) ভাল উপদেষ্টা বা খামারের জন্য বন্ধু খুজে নেওয়াঃ
একজন মুচি যেমন চায় আরেকজনের জুতা ছিঁড়ুক, একজন ডাক্তার চান বেশি বেশি রোগী আসুক তার চেম্বারে। তেমনি কিছু মানুষ চাই যেন আপনার খামারেও সেই অবস্থা হোক। আর এরই লক্ষে নানা ধরনের এমন সব উপদেশ আপনাকে দিবে যা তিনি নিজেও যে কাজ করেন না। তাই যেকোনো কাজ বা চিকিৎসা বা ঔষধ অথবা ভিটামিন প্রয়োগ করারা আগে অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ নিবেন। বা দুই একজনের কাছে জিজ্ঞাস করবে। যাতে আপনি অনাখাংকিত ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন।

১৮) খামারির কিছু জরুরি সতর্কতাঃ
প্রত্যেক খামারিকেই কিছু জরুরি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়, আর এগুলো যদি সঠিক ভাবে মেনে চলা হয় তাহলে, আশা করা যাই তিনি সফল ভাবে খামার পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন। যেমনঃ

a) অ্যান্টিবায়টিক ব্যাবহারের ৩ দিনের মধ্যে খেয়াল করবেন যে পায়খানার রঙ পরিবত্তন হচ্ছে কিনা? যদি না হয় তাহলে ৩ দিন পর অন্য অ্যান্টিবায়টিক ব্যাবহার করতে হবে।
b) অ্যান্টিবায়টিক ব্যাবহারের পর অবশ্যই probiotic দিতে হবে। তাহলে আবার ভাল ব্যাকটেরিয়া তৈরি হবে। আর পাতলা পায়খানা, সর্দি ইত্যাদির মত রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে।
c) অধিক পরিমাণে অ্যান্টিবায়টিক ব্যাবহার করবেন না।
d) চোখের রোগের জন্য কোন চোখের ড্রপ ৫ দিনের বেশি ব্যাবহার করবেন না।
e) ভিটামিন বা কোন ঔষধ দলা বেঁধে গেলে আর ব্যাবহার করবেন না।
f) ভিটামিন ব্যাবহারের পর যদি হলুদ ধরনের পায়খানা করে, তাহলে ওই ভিটামিন আর ব্যাবহার করবেন না।
g) কবুতর বমি করলে omidon বা এই ধরনের ঔষধ বেশি ব্যাবহার করবেন না। বা histasin ধরনের ঔষধ কখনও ব্যাবহার করবেন না।
h) খামার ভিজা বা স্যাঁতসেঁতে রাখবেন না।
i) ঔষধের গায়ে লেখা নির্দেশনা মত ঔষধ ব্যাবহার করতে যাবেন না।
j) কবুতর অসুস্থ হলে আগে চালের স্যালাইন দিবেন।
k) ভিটামিন বা ঔষধ যেন রোদে না রাখা হয় সেটা খেয়াল রাখবেন। বা কোন ঔষধ বা ভিটামিন ১২ ঘণ্টার বেশি রাখবেন না।
l) যেকোনো রোগের ক্ষেত্রে নিজেকে দিয়ে বিচার করবেন।যেমনঃ অনেকেই ঠাণ্ডা লাগলে কবুতর কে অ্যান্টিবায়টিক দিতে বলেন।কিন্তু আমাদের জানামতে আমরা কখনও এক্ষেত্রে নিজেদের জন্য অ্যান্টিবায়টিক ব্যাবহার করি না।
m) পানি অবশ্যই ফুটান দিবেন বা নলকূপের টা দিবেন বা ফিল্টার এর টা দিবেন।
n) অনর্থক কবুতর কে ধরবেন না। বা ডিম চালার সময় বেশি নারানারি করবেন না এতে ডিমের ভিতরের লিগমেন্ত ছিরে যেতে পারে।

পরিশেষে, আপনি আমার এই পর্যন্ত কবুতরের যত রোগ বালাই সম্পর্কিত যত পোস্ট আছে সেগুল পড়েন আর সেই অনুযায়ী মানে চলেন। তাহলে আশা করে আপনার খামারে কোন অসুবিধা হবার সম্ভাবনা নেই। আর যদিও বা হয় তাহলে আশা করি আপনি নিজে একজন বিজ্ঞ লোকের মত নির্ভয়ে তার চিকিৎসা করতে অসুবিধা হবার কথা না। আর এর জন্য চাই আপনার আত্মবিশ্বাস। আর সাধারন কিছু জ্ঞান ও প্রাথমিক কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি। আপনি যদি এটা চিন্তা করেন যে এটা আমি পারব না তাহলে আর কখনও পারবেন না। আপনার যদি ইচ্ছে ও চেষ্টা থাকে তাহলে ইংশাআল্লাহ বাকিটুকু আল্লাহ করে দিবেন। আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান দান করুন(আমীন)।

(বিঃ দ্রঃ – এই লিখা বা এর সব কথাতাই যে চূড়ান্ত টা নয়, আপনি এর থেকে আপনার মনের মত করে খামার গড়ে নিতে পারেন। এটি শুধুই একটি পথ নির্দেশনা মাত্র।)

মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই

Related Pigeon:

Sponsored Links

3 Responses to “সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি”

  1. Azizur Rahman Sumon on January 24, 2015 @ 6:11 pm

    আসসালামুআলাইকুম,

    ভাইয়া আপনার পোস্ট গুলো পরে খুব ভাল লেগেছে। আমি অল্প কিছু দিন ধরে কবুতর পালন করতেছি। এজন্য পোস্ট গুলোর অনেক কিছুই ঠিক মত বুজিনা তাই চেষ্টা করতেছি কবুতর সম্পর্কে কিছু অতি প্রয়োজনও জিনিস জানার যাতে কবুতর অসুস্থ হলে সময় মত বেবস্তা নিতে পারি । এই পোস্টটিতে আপনি কবুতর অসুস্থ হলে চালের স্যালাইন দিতে বলছেন। আমার চালের স্যালাইন নিয়ে কোনও ধারনা নাই। কিভাবে চালের স্যালাইন তৈরি করব এইতা যদি বলতেন তাহলে খুব ভাল হয় আমার জন্য।

  2. Iftakharul Islam on April 26, 2015 @ 5:54 pm

    Vai amar kobotorer shoboj dropping abobe 6 days.ami ki korte pari.akhon shodho jeemay. Ki rani kheter medicine deachelo baba.kinto shar te che na.ki korbo

  3. খাবারের পোস্টেতো সুধু ঔষধের কথা লেখা….

Leave a Reply

You must be logged in to post a comment.

  • কবুতরের সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয় ও ঔষধ প্রয়োগ

    by on November 9, 2013 - 5 Comments

    রসূল (সঃ) বলেন, “একজন মুসলিম যিনি একটি পোষা প্রাণী রাখতে পছন্দ করে তার দায়িত্ব হল ভালমত এর যত্ন নেয়া,যথাযথ খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের ব্যাপারে খেয়াল করা আবশ্যক। কোন বাক্তি যদি একটি পোষা প্রাণীর যত্নর ব্যাপারে উপেক্ষিত হয় তার কঠিন শাস্তি বর্ণনা করেছেন।” কবুতর পালার কিছু নিয়ম আছে। শুধু পালার খাতিরে পালেন। একজন খামারি ১০০ কবুতর […]

  • Pigeon cage

    সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি

    by on February 13, 2014 - 3 Comments

    সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি নিয়ে কিছু কথা বলব। কবুতর একটা আমন প্রানি যে, এটা মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মঠ ছাড়াও গ্রামের ১০০ ঘরের মধ্যে ৬০ ঘরেই কবুতর পালতে দেখা যায়। কবুতরের প্রতি মানুষের যে আকর্ষণ তা অন্য কিছুতে নাই। এটা মানুষের নেশা, পেশা, সখ ও সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম হিসাবে আজ পরিচিত। কবুতর প্রেমিদের সেই […]

  • কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ?

    by on August 17, 2013 - 1 Comments

    কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ? আমার এক পরিচিত আমাকে একদিন জানালেন যে তার একজোড়া কবুতর ৪ টা ডিম দিয়েছে এবং তিনি নিশ্চিত করে বললেন যে এটা নর আর মাদি, আমি তাকে বুঝানর পরও তিনি তর্ক করলেন, আমি আর কিছু বললাম না, কিছুদিন পর তিনি বুঝতে পারলেন যে আসলে দুটাই মাদি। আসলে এটা উনার […]

  • কবুতরের গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ (Pigeon Medicine) দাম ও কার্যকারিতা ।

    by on September 18, 2014 - 1 Comments

    Pigeon Medicine 1) Coccicure: Size 150 grm cntr Price:Tk.3000/- Quantity: 2 cntr Indications: Treatment of coccidiosis in racing pigeons caused by Eimeria spp. Dosage: 1 spoonful per 2 litres drinking water for 6 days. When 20 pigeons drink more than 1litre a day, reduce or raise the dose proportionally. Try to administer enough medicines to […]

  • কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ

    কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ (Internal Parasites)

    by on December 10, 2013 - 2 Comments

    কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ কবুতরের অবস্থার উপর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কবুতরের পারামক্সি,সাল্মনিল্লা এর পর সবচে মারাত্মক যে রোগ সেটা হল Internal & External Parasites । আমরা এখানে Internal Parasites বা ক্রিমির ব্যাপারে আলোচনা করব। ক্রিমির কারনে কবুতরের ওজন হ্রাস, খারাপ moult, ডায়রিয়া, এবং ক্লান্তি ছাড়ও আরো উপসর্গ থাকতে পারে। এটি ঋণাত্মক উর্বরতা […]

Bumblefoot Gorguero pouter kobutor pigeon pigeon medicine Pigeon Scabies tonsil Weak Leg Wings Paralysis অবিশ্বাস্য কবুতর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আমার পছন্দের কবুতর এই বর্ষায় সবার জন্য একটি বিশেষ অনুরোধ এলোপ্যাথি(allopathic) কবুতর কবুতর অসুস্থতা কবুতর পালন কবুতরের কবুতরের/পাখির উপর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কবুতরের / পাখির ডিম আটকানোর (Egg binding ) কারন ও চিকিৎসা কবুতরের একজিমা কবুতরের কাউর কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ কবুতরের গ্রিট কবুতরের চিকিৎসা কবুতরের ডিম কবুতরের ডিম আটকানোর কবুতরের দুর্বল পা কবুতরের পাঁচড়া কবুতরের ভিটামিন কবুতরের রক্ত আমাশয় কবুতরের রিং কবুতরের রোগ কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ? টনসিল ডিম নর কবুতর পক্ষাঘাত পছন্দের কবুতর পাখির পা পাখির পায়ে ক্ষত মলের মাধ্যমে কবুতর অসুস্থতা শনাক্তকরণ মাদি কবুতর সংক্রামক করিজা হোমিও (Homeopaths)

Search Here