Welcome, visitor! [ Register | Login

কবুতরের রক্ত আমাশয়-রোগ (Coccidiosis / Coccidia)

Pigeon Diseases & treatment জুলাই 28, 2013

রোগ পরিচিতি

কবুতরের রক্ত আমাশয়

Coccidiosis coccidian সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট রোগ কবুতরের একটি মারাত্মক ও ছোঁয়াচে রোগ । এক ধরনের এককোষী প্রাণী দ্বারা সৃষ্ট পরজীবীয় রোগ যা প্রাণীর আন্ত্রিকে বিস্তার লাভ করে। এই রোগের জীবাণূ একটা আবরণে ঢাকা থাকে। ঐ অবস্থাকে বলা হয় UCHIT, মলের সংগে এটি মাটিতে পড়ে । মাটিতে তাপ আর জলীয় আবহাওয়ায় চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে পেকে ঊঠে। খাবার ও জলের মাধ্যমে এই জীবাণূ পাটে যায়। ফলে ভাল কবুতরও সংক্রমিত হয়। সাধারণত বর্ষাই এই রোগ বেশী হয়। এটি রোগ সংক্রামিত হয় টিস্যু যা খাবাররের মাধমে এক প্রাণী থেকে অন্য ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়রিয়া,হালকা সবুজ এবং গুরুতর ক্ষেত্রে রক্ত যেতে পারে।. Coccidia আক্রান্ত অধিকাংশ প্রাণী অনেক সময় কোন লক্ষণ দেখা যায় না। যাইহোক, তরুণ বা ইমিউন-সংকটাপন্ন প্রাণীর মৃত্যু সহ গুরুতর শারীরিক সমস্যাই ভুগতে পারে। stress, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং পানি অথবা অপরিস্কার খামারই এর প্রধান কারণ।

2 সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত এই রোগ বেশি হয়,তবে বয়স্ক কবুতরের ও হতে পারে। এই সময় অন্ত্র ফুলে গিয়ে রক্তে ভরে যায়। আর তাই পায়খানার সাথে রক্ত পড়ে। সাধারণত এই রোগে সঠিক সময় চিকিৎসা না দিলে পাখী মারা যায়। রোগে মৃত্যুর হার ৯০% ভাগ।

কবুতরের Coccidiosisঃ

Coccidiosis প্রজনন কারণে খাওয়ানোর দ্বারা দূষিত Aviary বা খাঁচা মেঝে, সাম্প্রদায়িক জল সরবরাহ বা এক কবুতর থেকে অন্য কবুতরে পায়খানার মাধমে ছড়ায় ।

কবুতরের রক্ত আমাশয় 2

উপসর্গ/লক্ষণ :

• খাবারের সম্পূরক সহায়তায়র পরও অত্যধিক ওজন হ্রাস।
• Diarrhoea অথবা অধিক উজ্জ্বল সবুজ বা রঙ হলুদ, যা ফোঁটা ফোঁটা করে. (Watery)
রক্ত সহ বা ছাড়া
• Diarrhoea
• পালক ও শারীরিক অবস্থা নোংরা হতে পারে।
• পাখা ঝুলে যাওয়া ।
• ক্ষুধামান্দ্য
• এক জায়গায় ঝিমানো।
• শারীরিক ভারসাম্যহীনতা ও দাঁড়াতে অক্ষম।
• Dehydration।
• দ্রুত মৃত্যু।


ট্রান্সমিশন বা সংক্রমণ:

coccidia এর সংক্রামক পর্যায়ে মুল কিছু কারণ থাকে যেমন দূষিত পানির উৎস, অন্যান্য প্রাণী, কীটপতঙ্গ এবং মানুষের সংস্পর্শ , অপরিষ্কার পাত্র ও সরঞ্জাম মাধ্যমে ইত্যাদি। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক পাখির প্যারাসাইট থেকে অসুস্থটা বিকশিত হয়। বয়স্ক কবুতর যারা আগেও আক্রান্ত হয়েছিলো তারা পুনরায় আক্রান্ত হতে পারে কোনো ক্লিনিকাল লক্ষণ ছাড়াই । এসব ক্ষেত্রে নতুন/YOUNG কবুতর এদের কারণে সংক্রামিত হতে পারে। আক্রান্ত কবুতর বা পাখি কে অবশ্যই আলাদা করে ফেলতে হবে।

প্রতিরোধ:

• Aviary বা খাঁচার ঘন ঘন পরিস্কার।
• নিশ্চিত না হাওয়া পর্যন্ত নতুন বা YOUNG কবুতরের সঙ্গরোধ।
• নিয়মিত মল coccidia জন্য পরীক্ষা করতে হবে
• বায়ুচলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
• আর্দ্রতা রাখতে হবে।
• বিশুদ্ধ খাবার ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
• ইঁদুর বা এই ধরণের প্রাণী নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
• তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
• কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বিশেষ করে মাছি।
• ঠাসাঠাসি করে কবুতর রাখা যাবেনা ।
• খাঁচা বা কবুতর সরানো বা নাড়াচাড়ার আগে খাঁচার উপর আবরণ দিতে হবে।
• জীবাণু বিরোধী স্প্রে করতে হবে।


ঔষধ:

১) Doxivet (Doxicyciline)+ AMODIS (Human) ১ গ্রাম + ½ Amodis+১ গ্রাম স্যালাইন ৩০ মীলীঃ/ সি সি পানিতে মীক্স করে ১০ সি সি করে হাতে ধরে খাওয়াতে হবে দিনে ৩ বার।

২) হোমিও Acid Fos 200 ২ ফোটা করে ৫/৭ বার দিনে অল্প একটু পানির সাথে খাওয়াতে হবে।

৩) PAICHISH(হামদারদ) ১/২ ট্যাবলেট করে দিনে ২ বার। এটা সহায়ক হিসাবে দিতে হবে।

৪) নিয়মিত তরল খাবার যেমন আটা গুলা,সাবু বার্লি বা চালের স্যালাইনে দিতে হবে। শক্ত খাবার না দিয়াই ভাল কারন বমি হতে পারে। (খাবার ধরে খাওয়াতে হবে।)

৫) হালকা গরম পানি সরবরাহ করতে হবে।

সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, যে কবুতর যে পড়ে থাকা খাবার না খাই, আর এটা তখনি নিশ্চিত করা সম্ভব যখন আপনি আপনার খামার পরিস্কার রাখবেন। খেয়াল রাখতে হবে যেন আক্রান্ত কবুতর প্রয়োজনীয় আদ্রতা পায়,কারন লিভারের ১২০ ফা বা ৪৯ সেলঃ এই রোগের জীবাণু মারা যায়(তাই বলে আবার গরম কিছু খাওয়ানো ঠিক হবে না)। প্রতিরোধ থেকে প্রতিকার ভাল, তাই আমাদের আগে প্রতিরোধের বাবস্থা নিতে হবে আগে।

মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই

Sponsored Links

One Response to “কবুতরের রক্ত আমাশয়-রোগ (Coccidiosis / Coccidia)”

  1. আসসালামু আলাইকুম জনাব সোহেল রাবি ভাই।
    এমন একটি পদক্ষেপ আমাদের মতো যারা নতুন তাদের জন্য বিশেষ ভাবে সহকারি হিসেবে কাজ করবে এবং কবুতর পালনে আমাদের অনু্প্রেরণা যোগাবে। আমি একে বারে নতুন এবং শখের বসে কবুতর পালছি. একে একে অনেক কবুতর কিনেছি কোন টা বাচাতে পারিনাই। আবার কিনে আনি আবার মরে যায়।আপনি বুঝতে পারছেন আমি অনেক জেদি সভাবের মানুষ। যে কারনে কবুতর গুলো মারা গেছে তার কয়েকটি তুলে ধরছি বর্তমান আমার কাছে মাত্র দুটি কবুতর আছে।আপনি আমাকে একটু সহযোগিতা করলে আমি আমার ই্চ্ছে পুরনে সমর্থ হবো।
    নিম্ন লিখিত কারনে আগের কবুতর গুলো মারাগেছে:
    প্রথম কবুতর ছিল সিলভার কালারের সিরাজি তিন পরের বাচ্চা।আমি প্রতিদিন সকালে অফিসে যাওয়ার আগে ওদের খাচা পরিস্কার করি।পানি পাল্টিয়ে দেইএবং পর্যাপ্ত খাবার দিয়ে অফিসে চলে যাই!সন্ধাবেলা ৭.৩০মি: অফিস থেকে এসে পুনরায় খাবার দেই, পানি পাল্টাই এবং খাচা ঢেকে দেই।

    হঠাৎএকদিন দেখলাম তুলনা মূলক ভাবে একটি কবুতরের চঞ্চলতা কম। স্বাভাবিক মনে করে দেখলাম এটা আরো বেড়ে গেছে। সেদিন কবুতরের মল খেয়াল করে দেখলাম পাতলা এবং চুনো ,আরো খেয়াল করে দেখলাম বমি করতে চায়, খাবার খেতে আগ্রহ নেই। পরের শুক্রবার নিমতলী যাব বলে অপেক্ষা করতে লাগলাম। ক্রমান্বয়ে বাড়তে লাগলো। শুক্রবার সকালে আর পেলাম না।
    সকালে একটাকে নিয়ে নিমতলী ভেটোনারী গেলাম্।ডাক্তার সাহেব দেখে পথ্য দিলেন।
    01. Ciprosol-10 100ml
    2ml 1ltr water 7 days

    02. Electromin 20mg
    1.5gm with ltr water 7 days.

    03.Zis-vet 100ml
    2ml 1 ltr water 7days.

    ওষুধ দুইদিন খাওয়ানোর পর বাকিটা মারা যায়।
    আমার খুব ইচ্ছে ডিম বাচ্ছার।আবার কাল বিলম্ব না করে সাদা এক জোড়া লক্ষা নিলাম ৫ পরের।দুমাস পোষার পর সকলে বলতে লাগলো দুটই নাকি নর।েসল বাজার থেকে বিজ্ঞাপন দেখে একটা মাদি নিলাম।এবং পাশের বাসার ছোট ভাই এসে বল্ল তিনটাই নাকি ছেলে।খুব ঝামেলা মনে করে তিনটাই বিক্রি করে দিলাম অনেকটা নাম মাত্র মূল্যে। এবার কাপ্তান বাজার হাট থেকে একজোড়া হলুদ রেন নিলাম।মাঝ খানে আরেক জোড়া হলুদ পোটার নিলাম সেমি এডাল্ট।চারমাস পর রেন ডিম পারলো পরপর দুইটি। আমার যেন ঈদের আনন্দ।অবাক ব্যপার রেন কবুতর পরপর চারটি ডিম দিলো। আশেপাশের লোকজনদের সাথে ব্যপারটি আলোচনা সবাই বল্ল , দুটো কবুতর নাকি মেয়ে। হায় কপাল। সকল আনন্দ –স্বপ্ন ভেস্তে গেছে।রেন দুটোই বিক্রি করে দিলাম বেশ ভালো দামে।রইলো পটার জোড়া। দেখতে দেথতে একদির সেই সোনার ডিমের দেখা মিল্ল ,আবার আনন্দ ঘরের সবাইকে কড়া নির্দেশ খাচার আশে-পাশে না যাওয়ার।পরের দিন আরেটি ডিম মোট দুইটি ডিম। এবার আগের মতো দুশ্চিন্তা নেই।দুইটা ডিম নিয়ে বেশ আনন্দে দিন যাচিছলো । কতো স্বপ্ন ডিম তারপর বাচ্ছা, বাচ্ছাদের কবুতর খাওয়াবে সে দৃশ্য আমি নয়নভরে দিখবো।একদিন সকালে সকালে দেখলাম নর পটার ভাঙ্গা ডিমের উপরে দাড়িয়ে আছে। যেন স্বপ্নগুলো ডিমের মতো ভেেঙ্গ গেল।পরে জানতে পারলাম পটার নাকি বাচ্চা ফোটায় না। সেলবাজারে এড দিলাম এক্সচেঞ্জ এর।অবশেষে ব্লু কালারের লক্ষা নিলাম নিতেই চার দিনের দিন ডিম দিল। আবার সেই আনন্দ।এবার ১০ দিন পরে একদিন সকালে ডিম খুজে পেলাম না।খোশা পেলাম তার মানে এবারো ঠিক একই অবস্থা।আবার ১৫ দিন পর পুনরায় ডিম। বেশ চলছিল উথ্থান পতনের খেলা।একই অবস্থা ১২ দিন পরে।
    মন খুব খারাপ হয়ে গেল, কবুতর জোড়া বিক্রি করে দিলাম। এবা কালো মুখি একজোড়া নিলাম। বেপারী বল্ল রানিং। আমি ও আর সইতে পারছিলাম না । মনস্থির করলাম রানিং কবুতর নিবো একটু দাম দিয়ে। তাই বেশ দাম দিয়ে নিয়ে নিলাম।খুব চঞ্চল একজোড়া কালো মুখখী। দুইদিন না যেতেই মাদিটার চঞ্চলতা কমে গেছে, উপসর্গ ছিল খুব পাতলা পায়খানা করতো । প্রচুর পানি পান করতো। মলের রং ছিল একে বারে পানি সাথে বাদামী রংয়ের লম্বা কেচোর মতো পেচানো। একজন কবুতরের খামারির সাথে কখা বল্লাম সে আমাকে ই.এস.বি ৩০% খাওয়াতে বল্ল দ্রুত। আমি তাই করলাম। কিনতু অবস্থার কোন উন্নতি হলো না।পরের দিন সকালে আমার হাতের উপর নিস্তেজ হয়ে গেল মাদি টা। একই ভাবে নরটা চলে গেল। দুই দিন পরে আবার নিলাম একজোড়া সাদা লক্ষা মাদিটা মারা গেল একই ভাবে। এখন আমার কাছে একটা সাদা লক্ষা নড় এবং হাট থেকে কালো লেজ ওয়ালা ফানপটেইল মাদি পেলাম ২৬০০/ টাকা দিয়ে।কবুতর দুইটাকে কিভাবে জোড়া মিলাবো বুঝতে পারছি না। একসাধে রেখে দিয়েছি। খাচার সাইজ হলো ৩ফিট বাই ২ত ফিট বাই ১.৫ফিট।কবুতর দুইটা যেন দুই মেরুর কেহ মিলছেনা। বুঝে উঠতে পারছিনা কিভাবে ব্রিড করাবো।নড়টা বেশ ডাকা-ডাকি করে কিন্তু মাদি কোন রেসপন্স করে না। এককোনাতে গিয়ে থাকে।
    ভাই আমার ডিম-বাচ্ছার খুব ইচ্ছে ।

    আমাকে পরামর্শ দিয়ে উপকৃত করবেন দয়াকরে।

    বাদল
    খিলগাও
    ঢাকা

Leave a Reply

You must be logged in to post a comment.

  • কবুতরের সাধারন সমস্যা ও চিকিৎসা

    by on এপ্রিল 19, 2018 - 0 Comments

    “বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ।” (সূরা বাকারাহঃআয়াত-১৯১) একবার আমার এক সাথী বললেন যে, তিনি এক তথাকথিত পীর সাহেবের বাড়িতে সন্ধ্যার সময় গেলেন। দেখলেন পীর সাহেব আয়েস করে সোফাতে আধা শায়িত অবস্থায় টিভিতে হিন্দি চ্যানেলে গান দেখছেন। এর মধ্যেই মাগরিবের আযান দিলে। পীর সাহেব শিলা কি জওয়ানি… দেখতে থাকলেন। তার […]

  • কবুতরের জুড়ী প্রস্তুত প্রণালী ও আদর্শ প্রজনন পদ্ধতি

    by on এপ্রিল 18, 2018 - 0 Comments

    কবুতরের জুড়ী প্রস্তুত প্রণালী ও সঠিক/আদর্শ প্রজনন পদ্ধতি (Pigeon Pairing and Ideal Breeding System ) “আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।” ( আল কোরআনঃ সূরা আয- যারিয়াত- আয়াত-৪৯) সামাজিক সাইট একদিকে যেমন ভাল লাগে অন্যদিকে তেমনি খারাপ লাগে সেই সব উজবুক ছেলে মেয়াদের জন্য যাদের জ্ঞান কম। যাদের স্ট্যাটাস দেখলেই […]

  • আপনার কবুতরের গোসল (Bath for pigeons) Written By Kf Sohel Rabbi

    by on এপ্রিল 17, 2018 - 0 Comments

    কবুতর অনেক কিছুর জন্য পরিচিত ও বিশ্ববিখ্যাত এবং বিভিন্ন কারণের জন্য এর চাহিদা রয়েছে। কবুতরের আকার, রং ও বিক্রয়ের জন্য কবুতরের পোষা পাখি হিসাবেও বেশ দেখা যায়। কবুতরের যত্ন এর সাথে সাথে এর কিছু ব্যাপারে আমরা সহজেই অনেক সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকতে পারি। কবুতরের পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন ছাড়াও আরও একটি গুরুত্তপূর্ণ ব্যাপারে যা আমরা অনেকেই […]

Bumblefoot Gorguero pouter kobutor pigeon pigeon medicine Pigeon Scabies tonsil Weak Leg Wings Paralysis অবিশ্বাস্য কবুতর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আমার পছন্দের কবুতর এই বর্ষায় সবার জন্য একটি বিশেষ অনুরোধ এলোপ্যাথি(allopathic) কবুতর কবুতর অসুস্থতা কবুতর পালন কবুতরের কবুতরের/পাখির উপর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কবুতরের / পাখির ডিম আটকানোর (Egg binding ) কারন ও চিকিৎসা কবুতরের একজিমা কবুতরের কাউর কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ কবুতরের গ্রিট কবুতরের চিকিৎসা কবুতরের ডিম কবুতরের ডিম আটকানোর কবুতরের দুর্বল পা কবুতরের পাঁচড়া কবুতরের ভিটামিন কবুতরের রক্ত আমাশয় কবুতরের রিং কবুতরের রোগ কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ? টনসিল ডিম নর কবুতর পক্ষাঘাত পছন্দের কবুতর পাখির পা পাখির পায়ে ক্ষত মলের মাধ্যমে কবুতর অসুস্থতা শনাক্তকরণ মাদি কবুতর সংক্রামক করিজা হোমিও (Homeopaths)

Search Here