Welcome, visitor! [ Register | Login

কিছু খাবার ও ঔষধ প্রয়োগে সাবধান (কবুতর এর কেস স্টাডি)

Pigeon Discussion May 22, 2014

“মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক।” (সূরা আবাসাঃআয়াত-৩৪)

আমার স্কুল জীবনে এক দুষ্ট প্রকৃতির এক সহপাঠী ছিল, সে সারাদিন ক্লাসে বদমাশি করে বেরাত, আর এ জন্য তাকে প্রতিদিন মার খেতে হত। কিন্তু তাতে তার কিছু আসত যেত না। মার খাবার একটু পরে আবার সে চিরাচরিত দুষ্টামি শুরু করে দিত, তাকে মারের কথা বললে বলত, আরে এটাত শরীর শক্ত করার জন্য। যাই হোক সে যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কাজ করতে ও কথা বলতে পারত। একবার শিক্ষা সফরে যাচ্ছিলাম রাস্তার পাশে নাম না জানা না ধরনের গাছ, এক ছাত্র জিজ্ঞাস করল। এগুলো কি গাছ? সে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর করল, “ল্যাভেশিয়া”…আমি তার দিখে ভুরু কুচকে জানতে চেষ্টা করলাম সে সত্য বলছে কিনা? সে বুঝতে পেরে চোখ টিপ মারল, বুঝলাম বরাবরের মত এবারও সে চাপা মারছে। তার পুরাটাই বদমাশি ছিল, তবে তার একটা ভাল গুন ছিল যে ভুলটা সে করত পরে সে, সেটা স্বীকার করত।

আমাদের দেশে সামাজিক সাইট গুলো যেমন একটি যোগাযোগের ভাল মাধ্যম আর এই মাধ্যমে যেমন একটা ভাল কথা সহজে ছড়ান যায়, তেমনি একটা ভুল তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তও করা যায় সহজেই। এখানে যারা ভুল তথ্য গুলো দেন তারা অবশ্য সেই ছেলের মত কোনদিন তাদের ভুল স্বীকার করেন না। কারন তাতে ত মান যাবে। কি যায় আসে তাদের এই ভুল তথ্যের জন্য অন্যের কি ক্ষতি হল তা দেখার। আরে এত সময় কই। নাম কামানই বড় কথা।

আল্লাহ্‌ বলেন “ বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ।“(সূরা আল বাকারা,আয়াতঃ১৯১)

যদি একটু ব্যাখ্যা করি তাহলে, এভাবে বলা যায়, ফিতনা হল এমন এক নতুন মতবাদ যা মানুষকে ভুল পথে প্রচালিত করবে, বা ভুল পথে চলার জন্য প্রলুব্ধ করবে। আর অধিকাংশ লোকই কম বেশী নানা ভাবে নানা ধরনের ফেতনার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জরিত।

“আল্লাহ কোন মন্দ বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে সে কথা আলাদা। আল্লাহ শ্রবণকারী, বিজ্ঞ।“(সূরা আন নিসাঃআয়াত- ১৪৮)

রসূল (সঃ) বলেন, “একজন মুসলিম যিনি একটি পোষা প্রাণী রাখতে পছন্দ করে তার দায়িত্ব হল ভালমত এর যত্ন নেয়া, যথাযথ খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের ব্যাপারে খেয়াল করা আবশ্যক। কোন বাক্তি যদি একটি পোষা প্রাণীর যত্নর ব্যাপারে উপেক্ষিত হয় তার কঠিন শাস্তি বর্ণনা করেছেন।“

কবুতরের অধিকাংশ খাবার তার স্বাস্থ্যগত বাপারে বিরাট ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে ব্রিডিং কবুতরের জন্য সুষম খাদ্য। তেমনি আবার কিছু খাদ্য হিতে বিপরীত হয়। যদিও অধিকাংশ খামারি তা জানেন না। কবুতরের খাবার ক্ষেত থেকে তুলার পর মাড়াই এর পর দোকানে আশা পর্যন্ত অনেক পর্ব পার করে এর মধ্যে অনেক ধুলবালি যোগ হয়। অবশেষে যখন দোকানে আসে এর সাথে যোগ হয় তেলেপোকা ও ইদুরের লাদি ও পেসাব। আর এই অবস্থায় যদি আপনি আপনার কবুতরকে খাবার গুলো পরিবেশন করেন তাহলে টাল ফল সম্পকে হয়ত আপনারা অবগত আছেন। আপনার কবুতর নিয়মিত রোগ বালাই তে আক্রান্ত হতে থাকবে । আপনি বুঝতেও পারবেন এর কারন কি? তাই নিয়মিত ভাল ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে যেকোনো সফল খামারিকেই । কবুতরের যতো রোগ হয় তার অধিকাংশই সূত্রপাত হয় খাবার ও পানির মাধ্যমে, তাই খাবার দিবার আগে সেগুলো যতদূর সম্ভব পরিষ্কার করে দিতে হবে। কিছু খাবার আবাড় ধুয়া সম্ভব না, যেমন তিসি, চীণা,কাওণ, সবুজ মটর ইত্যাদি, তবে কিছু ধুয়ে পরিস্কার না করে দেয়া ঠিক না যেমন ঃ কালী মটর, লাল বাজরা, সাদা দেশী মটর, লাল মটর মূঘ ডাল,সরিষা ইত্যাদি ।

হজরত আনাস (রা) দ্বারা বর্ণিত আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ(সঃ) বলেন “সকল প্রাণী ঈশ্বরের একটি পরিবারের মত হয় এবং তার পরিবারের সবচেয়ে যারা দয়াশীল তাদের আল্লাহ্‌ ভালবাসেন.” (৩:১৩৯২বুখারী থেকে)।

এগুলো গেল প্রাথমিক পর্যায়, কিন্তু যে খাবার গুলো আপনি যা আপনি আদৌ জানেন এর কুফল সম্পর্কে, তারপরও দিনের পর দিন নানা মতবাদ দিয়ে,নিজস্ব মনগড়া মতবাদ তৈরি করে দিনের পর দিন খেতে দিতেছেন। যে খাবার গুলো উপকারের থেকে অপকারি বেশী সেগুলো না দিয়াই ভাল।

আল্লাহ্‌ বলেন,”তারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং কল্যাণকর বিষয়ের নির্দেশ দেয়; অকল্যাণ থেকে বারণ করে এবং সৎকাজের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করতে থাকে। আর এরাই হল সৎকর্মশীল।“(সূরা আল ইমরান ১১৪)
এখন আসুন আমরা জেনে নেয় কি সেগুলো কিঃ

১) রেজাঃ রেজা এমন এক খাবার যা কোন প্রকার খাদ্য শস্যর মধ্যে পরে না, এগুলো গম খেতের মধ্যে আগাছার মত এক প্রকার জংলা হয় সেগুল থেকেই তৈরি হয়। এ খাবার গুলো কবুতরের স্বাস্থ্যগত কোন ভুমিকা রাখে না। তারপরও কিছু লোক এগুলো খাওয়ান ও অন্যকে খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। আর এই সুযোগে এক শ্রেণীর ব্যাবসায়ি দান মারেন। শস্যর মধ্যে না পরেও এর দাম কিন্তু নেয়াত কম না। আর বিচিত্র কারনে কবুতর এই খাবার পছন্দ করে থাকে। কিন্তু এই খাবার দিলে কবুতরের অ্যালার্জি, সাল্মনিল্লা সহ নানা রোগের উপসরগ দেখা যায়।

২) ধানঃ আমাদের দেশে ৭০% খামারি কবুতর কে ধান খাওয়ান, যেহেতু এটা খুবই সহজলভ্য তাই নানা ধরনের প্রবাদ ছড়িয়ে কবুতর কে ধান খাওয়ানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। যেমনঃ ধান খাওয়ালে কবুতরের পায়খানা ভাল থাকে, ধান খাওয়ালে কবুতরের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, ধান খাওয়ালে কবুতর ভাল উড়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের দেশের বাইরে ধান খাওয়ানোর জন্য কোন উপদেশ পাওয়া যাই না। তাহলে কি তাদের কবুতরের সাস্থ, পায়খানা বা উড়া ভাল না? কি জানি? তাহলে কেন এই ধরনের প্রবাদ প্রচলন আছে এ দেশে। ওই যে বললাম আমরা আমাদের নিজেদের স্বার্থেই এই সব তৈরি করে রেখেছি। যাই হোক কবুতরের ধান খাওয়ানোর ব্যাপারে যতই প্রবাদ থাকুক, এটা কবুতরের স্বাস্থ্যগত সুবিধা থেকে অসুবিধাই বেশী। (ক)ধান কবুতরের ক্রপ ইনফেক্সন ঝুকি বাড়ায়। (খ) ধান বাচ্চাদের খাদ্য নালিতে ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে। (গ) ধান পাকস্থলী তে আটকিয়ে ক্রপ সউর হতে পারে ইত্যাদি।

৩) বয়লার গ্রয়ারঃ বয়লার গ্রয়ার খাবারটি যদিও আমাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়, ও অনেকের ধারনা এটা কবুতর কে স্বাস্থ্যবান হতে বা মোটা হতে সাহায্য করে থাকে। যদিও অনেকেই মনে করেন মোটা কবুতর মানেই ভাল কবুতর আবার অনেকেই বলেন মোটা কবুতর ভাল না এটা কবুতরের জন্য ক্ষতিকর ডিম পাড়া বন্ধ হয়ে যাই ইত্যাদি ইত্যাদি। কোন সব জ্ঞানের কথা, আসলেই কি কথা গুলো ঠিক। কবুতর মোটা হোক বা পাতলা হোক সুস্থ কবুতরই ভাল। আর সব সময় খেয়াল রাখবেন যেন কবুতরের রোগ বালাই কম হয়। আমাদের দেশে অনেকেরই হয়ত জানা নাই যে বয়লার গ্রয়ার খাবারটি বাজারের কিমা গোস্তের মত নানা ধরনের ভাল খারাপ জিনিষ মিক্স করে তৈরি করা হয়। আর যেহেতু এটা অনেক দিন ধরে পরে থাকে তাই এতে ফাঙ্গাস পড়ার ভয় থাকে অনেক বেশী। এই খাবার টো আসলে কবুতরের জন্য না এটা সাধারণত ফার্ম/পোলট্রি এর জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি। মোরগ/মুরগি জেভাবে বা যে খাবার বা যেভাবে হজম করতে পাড়বে কবুতর তা পাড়বে না। তাই এটা যারা খাওাবেন তারা একটু গরম করে নিবেন আর পরিমানের ব্যাপারটাও বিবেচনায় রাখবেন।

৪) ভাঙ্গা ভুট্টাঃ ভাঙ্গা ভুট্টা কেউ যদি কবুতর কে খাওয়ান কোন ব্যাবস্থা না করে, থাহলে বলব সেই খামারি বা কবুতর পালক সেই তৈলাক্ত বাসে উঠার চেষ্টা করছেন, তিনি একফুত উঠলে ২ ফুত নেমে যাচ্ছেন। ভাঙ্গা ভুট্টাতে অনেক রোগ জীবাণু থাকে, আপনি যদি এটাকে সেদ্ধ করে না খাওয়ান তাহলে আপনার কবুতর সাল্মনেল্লা, এ কলাই, ককসিডাইওসিস এর মত না ধরনের মারাত্মক রোগে ভুগবে। আর এই সব রোগ তাড়াতে তাকে নিয়মিত ব্যাতিবাস্ত থাকতে হবে। তাই একজন আদর্শ খামারি কখনও ভাঙ্গা ভুট্টা খাওয়াবে না তার কবুতরদের।

৫) দুধঃ কবুতর কে কখনও দুধ খাওাবেন না। বিশেষ করে বাচ্চা কবুতর কে, অনেকেই আছেন যারা কবুতরের পিতামাতা খাওয়ান বন্ধ করেদিলে দুধ খাওয়ান শুরু করেন। এটা ঠিক না…তবে হা আপনি সেই দুধ খাওয়াতে পারেন যেটিতে ফ্যাট যুক্ত না থাকে। তাও খুবই অল্প পরিমানে কিছু মিক্স করে। কারন কবুতর তার শারীরিক গঠনের কারনে স্নেহ জাতীয় খাবার হজম করতে পারেনা। দুধ শুধু মাত্র বাচ্চা কবুতরের জন্য প্রযোজ্য বড় কবুতরের জন্য নয়।

৬) চিরতাঃ অনেক খামারি আছেন, যে আবেগের অতিসজ্জে চিরতা পানি খাওয়ান শুরু করেন। উনারা উপদেশ দেন যে চিরতা পানি কবুতরের জন্য খুবই ভাল ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু চিরতা পানি কিডনি ও লিভারের জন্য সুবিধা জনক না। বিশেষ করে চিরতার পানি কবুতর কে খাওয়ালে সাল্মনেল্লার মত ও বদ হজমের মত নানা রোগ দেখা দিতে পারে।

৭) ঔষধঃ কিছু ঔষধ আছে তাদের মধ্যে অ্যান্টিবায়টিক অন্যতম, যেগুলো অবলীলায় আমাদের কবুতরেকে প্রয়োগ করি। আর তাদের মধ্যে কিছু আছে যেগুলো কে extreme পর্যায়ে ফেলা যাই, কেন? কারন এগুলো তে ৩-৪ ধরনের অ্যান্টিবায়টিক যুক্ত থাকে। আর আমরা জানি বা না জানি সেগুল কে বংশানুমিক ভাবে উপদেশ দিতে থাকে। তাদের মধ্যে erocot অন্যতম। কোন কিছু হলেই এই ঔষধ টি প্রয়োগের উপদেশ দেন অধিকাংশ মানুষ কেন? জানা নেই কারোরই…! আমি কিছুদিন আগে একটা রোগের জন্য zimax ব্যাবহার করার পরামর্শ দিলাম, কিন্তু সেটা তিনি ব্যাবহার না করে আগের ঔষধ টা ব্যাবহার করলেন ও আমাকে জানালেন যে আমি এটা ব্যাবহার করে কবুতরের রোগ ভাল করেছি। আমি বললাম খুবই ভাল কথা, কিন্তু তিনি জানেন না যে আমি যে ঔষধ টি বলেছিলাম সেটা ও এটা একই ঔষধ খালি erocot অ্যান্টিবায়টিক ২ অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়টিক আছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু রোগ ভাল করা নয়। রোগ ভাল করে পরবত্তিতে এর থেকে ডিম বাচ্চা করাও আরেকটি লক্ষ্য। তাই ঔষধ ব্যাবহারের একটু সতর্ক থাকবেন।

অনেকেই মনে করে থাকেন গরম কালে কিছু খাবার কবুতরেকে দিতে হয় না। কেন? জানা নাই? তাদের ধারনা দিলে কবুতরের শরীর গরম হয়ে যায়। মানে শরীর গরম করার অধিকার খালি কি মানুষের? আমারা যদি বিয়ে বাড়িতে গিয়ে বা বাসায় বসে পোলাও কোরমার মত গরম খাবার গরমের দিনে খেতে পারি, তাহলে কবুতর কে কেন খাওয়াতে পারব না। এভাবেই অনেকেই তাদের নিজস্ব মত প্রচার করেন এই সব সামাজিক সাইটে, যেমন কিছুদিন আগে একজন মন্তব্য করলেন, যে কবুতর কে চাল খাওয়ান উচিৎ না এতে কবুতর এর চর্বি জমে যাই?!!!! আরেকজন জানালেন কবুতর কে সরিষা দিতে হই না গরমের দিনে?!!! আরেকজন জানালেন…কুসুম ফুলের বিচি…???!! কিছু খাবার পরিমান মত দিতে হয়, যেমন ভেনেগার বা সিরকা ধরনের খাবার এর পরিমান বেশী হলে পাকস্থলী বা হজম তন্ত্রে বা ইমিউন সিস্টেম এ ক্ষতি হবার সভাবনা অনেক বেশী থাকে। ফলে এতে আপনার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। এভাবে যে যেমন পারেন তেমন ভাবে তাদের অনর্থক ভিত্তিহীন মন্তব্য করেন। যদি কোন রেফারেন্স চান আপনি এ ব্যাপারে তারা দিতে পারবেন না একটাও …কিন্তু তারপর…বলে যাবেন…! বলে চলছেন…!! বলে চলবেন…!!! ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যে “জান্তাহু সাবকুচ মাগার পুছ তো কুচনেহি।“ মানে সবই জানি কিন্তু আসলে জিজ্ঞাস করলে কিছুই জানি না।

আল্লাহ্‌ বলেন,”যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয় কান, চক্ষু ও অন্তঃকরণ এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত হবে।“(সূরা বনী ইসরাঈলঃআয়াত-৩৬)

আপনার যদি সঠিক জ্ঞান থাকে তাহলেই কেবল মন্তব্য করুন না হলে চুপ থাকুন, কারন আপনার একটা ছোট্ট সাধারন মন্তব্য হয়ত আরেক জনকে ভুল পথে পরিচালিত করবে। যার দায়িত্ব আপনি এড়াতে পারবেন না। সেটা কবুতরের খামারি হোক বা উপদেশকারিই হোক কেওই পার পাবেন না আল্লাহ্‌র ও তার ফেরেস্তাকুলের লানত ঠেকে।

পরিশেষে, মুহাম্মদ আমিন (রা.) হতে বর্ণিত হুজুর (সা.) বলেছেন, “যে প্রাণীর প্রতি দয়া করে, আল্লাহ্‌ তার প্রতি দয়া করবেন।”

আপনি আপনার কবুতরের অবিভাবক, আর আপনাকেই চিন্তা করতে হবে কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ, আল্লাহ্‌ আমাদের কে মানুষ বানিয়েছেন যাতে আমরা আমাদের জ্ঞান বুদ্ধি সঠিক ভাবে ব্যাবহার করতে পারি, তা না হলে আমাদের মানুষ না হয়ে অন্য কিছুর সঙ্গে তুলনা হয়ে যাবে। বেশী কিছু না খালি একটু সঠিক সিধান্ত ও একটু সুস্থ চিন্তা আপনার প্রাণীটির প্রান বাঁচানোর জন্যই যথেষ্ট।

পবিত্র কোরআন এ আল্লাহ্‌ বলেছেন, “আর যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের মত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহ্‌র পথ থেকে বিচ্যুত করবে,তারা শুধু অনুমানের অনুসরন করে। আর তারা সুধুই মিথ্যা বলে।”(সূরা আনা-আম,আয়াতঃ১১৬)

মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই

No Tags

11791 total views, 5 today

  

Sponsored Links

Leave a Reply

You must be logged in to post a comment.

  • কবুতরের সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয় ও ঔষধ প্রয়োগ

    by on November 9, 2013 - 5 Comments

    রসূল (সঃ) বলেন, “একজন মুসলিম যিনি একটি পোষা প্রাণী রাখতে পছন্দ করে তার দায়িত্ব হল ভালমত এর যত্ন নেয়া,যথাযথ খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের ব্যাপারে খেয়াল করা আবশ্যক। কোন বাক্তি যদি একটি পোষা প্রাণীর যত্নর ব্যাপারে উপেক্ষিত হয় তার কঠিন শাস্তি বর্ণনা করেছেন।” কবুতর পালার কিছু নিয়ম আছে। শুধু পালার খাতিরে পালেন। একজন খামারি ১০০ কবুতর […]

  • Pigeon cage

    সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি

    by on February 13, 2014 - 3 Comments

    সৌখিনদের সৌখিন কবুতর পালন পদ্ধতি নিয়ে কিছু কথা বলব। কবুতর একটা আমন প্রানি যে, এটা মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মঠ ছাড়াও গ্রামের ১০০ ঘরের মধ্যে ৬০ ঘরেই কবুতর পালতে দেখা যায়। কবুতরের প্রতি মানুষের যে আকর্ষণ তা অন্য কিছুতে নাই। এটা মানুষের নেশা, পেশা, সখ ও সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম হিসাবে আজ পরিচিত। কবুতর প্রেমিদের সেই […]

  • কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ?

    by on August 17, 2013 - 1 Comments

    কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ? আমার এক পরিচিত আমাকে একদিন জানালেন যে তার একজোড়া কবুতর ৪ টা ডিম দিয়েছে এবং তিনি নিশ্চিত করে বললেন যে এটা নর আর মাদি, আমি তাকে বুঝানর পরও তিনি তর্ক করলেন, আমি আর কিছু বললাম না, কিছুদিন পর তিনি বুঝতে পারলেন যে আসলে দুটাই মাদি। আসলে এটা উনার […]

  • কবুতরের গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ (Pigeon Medicine) দাম ও কার্যকারিতা ।

    by on September 18, 2014 - 1 Comments

    Pigeon Medicine 1) Coccicure: Size 150 grm cntr Price:Tk.3000/- Quantity: 2 cntr Indications: Treatment of coccidiosis in racing pigeons caused by Eimeria spp. Dosage: 1 spoonful per 2 litres drinking water for 6 days. When 20 pigeons drink more than 1litre a day, reduce or raise the dose proportionally. Try to administer enough medicines to […]

  • কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ

    কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ (Internal Parasites)

    by on December 10, 2013 - 2 Comments

    কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ কবুতরের অবস্থার উপর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কবুতরের পারামক্সি,সাল্মনিল্লা এর পর সবচে মারাত্মক যে রোগ সেটা হল Internal & External Parasites । আমরা এখানে Internal Parasites বা ক্রিমির ব্যাপারে আলোচনা করব। ক্রিমির কারনে কবুতরের ওজন হ্রাস, খারাপ moult, ডায়রিয়া, এবং ক্লান্তি ছাড়ও আরো উপসর্গ থাকতে পারে। এটি ঋণাত্মক উর্বরতা […]

Bumblefoot Gorguero pouter kobutor pigeon pigeon medicine Pigeon Scabies tonsil Weak Leg Wings Paralysis অবিশ্বাস্য কবুতর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আমার পছন্দের কবুতর এই বর্ষায় সবার জন্য একটি বিশেষ অনুরোধ এলোপ্যাথি(allopathic) কবুতর কবুতর অসুস্থতা কবুতর পালন কবুতরের কবুতরের/পাখির উপর অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কবুতরের / পাখির ডিম আটকানোর (Egg binding ) কারন ও চিকিৎসা কবুতরের একজিমা কবুতরের কাউর কবুতরের কৃমি বা কীট রোগ কবুতরের গ্রিট কবুতরের চিকিৎসা কবুতরের ডিম কবুতরের ডিম আটকানোর কবুতরের দুর্বল পা কবুতরের পাঁচড়া কবুতরের ভিটামিন কবুতরের রক্ত আমাশয় কবুতরের রিং কবুতরের রোগ কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ? টনসিল ডিম নর কবুতর পক্ষাঘাত পছন্দের কবুতর পাখির পা পাখির পায়ে ক্ষত মলের মাধ্যমে কবুতর অসুস্থতা শনাক্তকরণ মাদি কবুতর সংক্রামক করিজা হোমিও (Homeopaths)

ফেসবুক গ্রুপ

 
BD Online Pigeon Market
Facebook এর গোষ্ঠী · ৫ জন সদস্য

গোষ্ঠীতে যোগ দিন

http://pigeon.bdfort.com/
 

Search Here