সৌখিনতার নামে কি হচ্ছে? এর কি কোনই প্রতিকার নেই?? কিভাবে? (কবুতরের কেস স্টাডি)

“বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী।“ (সূরা আল ইমরানঃআয়াত-৫৪)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা একবার শিপিং ব্যাবসায় শুরু করেন, এতে সমস্থ বাঙ্গালীরা খুশি হই ও তার জাহাজে উঠার জন্য পারাপারি লেগে যাই। এতে ইংরেজদের শিপিং ব্যাবসা লাটে উঠার মত উপক্রম হয়। তারা নানা চিন্তা ভাবনা শুরু করে, এক পর্যায়ে তারা ব্রিটিশ পায়তারা শুরু করে। তারা রবী ঠাকুরের দাদার জাহাজি ভাড়ার থেকেও অর্ধেক ভাড়াতে যাত্রী পারাপার শুরু করলে। রবী ঠাকুরের দাদা চরম আর্থিক সংকটে পড়েন ও এক পর্যায়ে, ব্যাবসার তল্পিতল্পা গুটাতে বাধ্য হন। এবার ইংরেজরা তাদের ঘাটতি পূষানোর জন্য উঠেপড়ে লাগল, যে লোকসান তারা দিয়েছিল তা, দ্বিগুণ ভাড়া বাড়িয়ে টাকা উঠাতে শুরু করল। আর নিরীহ যাত্রীদের আর কোন উপাই না থাকাই তারা এই অন্যায় কে সহ্য করে চলতে লাগল। এটা ত ছিল এক ঘটনা বিছিন্ন অতীতের এক ঘটনা মাত্র, এই ধরনের ঘটনা আমাদের জীবনে অহরহ ঘটছে কিন্তু আমাদের যেহেতু মজ্জা গত অভ্যাস অতীত থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহন করি না। করার ইচ্ছা বা মন মানসিকতাও নাই। থাকবে কিভাবে আমরা চিন্তা করি আপনা বাচলে বাপের নাম। অন্যের কি হল তাতে আমার কি আসে যায়।

কিন্তু আল্লাহ্‌ বলেন,“হে বুদ্ধিমানগণ! কেসাসের মধ্যে তোমাদের জন্যে জীবন রয়েছে, যাতে তোমরা সাবধান হতে পার।“(সূরা আল বাক্বারাহঃআয়াত-১৭৯)

তারপরও আমরা সাবধান হইনা ব্যাবসা হোক আর অন্য যে কোনো কিছুই ক্ষেত্রেই হোক। আমরা সবাই এক, এজন্য হয়ত মনিষীরা বলেছেন, “যখন প্রশ্নটা টাকা-পয়সার তখন সবারই একই ধর্ম।“ -ভলটেয়ার।

প্রথমত, বাংলাদেশে যে পরিমান কবুতর আমদানি করা হয় তা বিশ্বের আর কোন দেশে এত পরিমান কবুতর আমদানি কর হয় না। এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তি দেশ তারাও না। তাহলে আমরা কেন এত কবুতর আনতে উৎসাহিত হচ্ছি।

“অর্থ মানুষকে পিশাচ করে তোলে, আবার অর্থ মানুষকে মহৎ করে তোলে।“ -ক্যাম্বেল।

দ্বিতীয়ত, নিন্ম মানের কবুতর আমদানি করা যা এক মহা বিস্মই, এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কোন প্রকার লাইভ স্টক অর্থাৎ প্রাণী আমদানি করা হলে সেটার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এক বিশেষ টিম থাকে, অসুস্থ তো দূরের কথা কোন প্রাণীর প্রতি কোন প্রকার সন্দেহ হলেই সেটাকে আর দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়া হয় না। নিউজিল্যান্ডে প্রাণীদের স্বাস্থ্য রক্ষা কল্পে কোন টুরিস্ট কে বা সেই দেশে আগমন কারী কে পুরানো জুতা পর্যন্ত নিতে দেয়া হয় না। যাতে সে দেশে রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে না পারে। কিন্তু সব সম্ভবের দেশ আমাদের দেশে সব কিছুই সম্ভব হয়। আর সম্ভব হয় বলেই তার রেস বয়ে বেড়াতে হয় নিরীহ খামারিদের। কেন এই সব আমদানি কারকরা এই ধরনের নিন্ম মানের কবুতর আমদানি করে? কারণ তারা জানে আমরা হলাম ছাগল যা দিবে তাই খাবে। যদি কোন খামারির কাছে কোন কবুতর কিনতে যাই তাহলে, এটা সুস্থ কিনা? ডিম বাচ্চা করে কিনা? কবে জন্ম? কোন সমস্যা আছে কিনা? ফাটা কিনা? আই লোম সাদা কেন? এই পড়টা এই রকম কুচকান কেন? ভ্যাকসিন করা কিনা ? ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে যান বের হবার উপক্রম হয়ে যায়, এর পর বাসাই এসে সেটাকে এমন ভাবে পরীক্ষা করা হয় যেন মনে হই ওর নারী ভূরি বের করে পরীক্ষা করতে পারলেই ভাল হত। অথচ আমদানি কারকদের কাছ থেকে নিবার সময় ফাটা অসুস্থ শুকনা, যান যায় যায় অবস্থা এই রকম কবুতর পেলেই যেন যুদ্ধ জয়ের মত খুশি হয়ে যায় মানুষ, কিছুই যায় আসে না। সেই কবুতরটা খামারে নিবার পর যদি মারাও যায় তাও কোন সমস্যা হয়না এই ধরনের খামারিদের। আর কবুতর নিবার জন্য যেরূপ হাহাকার শুরু হয় খামারিদের মধ্যে সে এক আশ্চর্য ব্যাপার। আর এরই সুযোগ ১০০% ভাগ গ্রহন করেন আমদানি কারকরা, আজ আমরা সবাই আমদানি কারক এর সংখ্যা বাড়তেছে দিনকে দিন…! শোনা যাই গত ১ মাসে বাংলাদেশে ২০০০ কবুতর এসেছে, আর আগামি ১ মাসে আরও ১৫০০ মত আসতেছে। তাহলে আগের গুলো কি হবে?

বিশিষ্ট ছাহাবী ওয়াসিলা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদের কাছে আসতেন এবং বলতেন, হে বণিক দল! তোমরা মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কারবার থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে”।

তৃতীয়ত, আমরা যারা খামারি আছি তারা আজ যে কবুতর ১ লক্ষ্য টাকাই কেনা হচ্ছে, ১ মাস পর তার দাম ৭০ হাজার টাকা, কিন্তু যারা ১ মাস আগেই এই কবুতর গুলো নিয়েছিলেন তারা এখনও ডিম বাচ্চা করতে পারেন নাই। তার আরও ১ মাস পর এর দাম ৫০ হাজার টাকা, এর মধ্যে হইত কিছু খামারি ভাগ্য ক্রমে ১-২ জোড়া বাচ্চা তুলেছেন। তাহলে এখন তারা সেই দামে কেনা বাচ্চা কত করে বিক্রি করবেন। নিশ্চয় ৫০ হাজার করে? কিন্তু যেহেতু তখন ৫০ করে আমদানি করা পূর্ণ বয়স্ক কবুতর পাওয়া যাই তাহলে কেন তারা ২য় ব্লাড লাইনের কবুতর নিবেন? এরই ১ মাস পর ষেই কবুতরের দাম ৩০ হাজার টাকা। এখন আপনি কততে আপনার খামারের বাচ্চা বিক্রি করবেন?

“অসুস্থতা ঘোড়ায় চড়ে আসে কিন্তু যায় পায়ে হেঁটে।“ -ডোনাল্ড জি মিচেল।

চতুর্থত, ইংরেজদের একটা পলিসি ছিল ডিভাইডিং অর্থাৎ কারো সাথে কারো যাতে মিল না থাকে। আমাদের কবুতর সেক্টরে ঠিক তেমন তাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থ উদ্ধার এর জন্য কেউ যেন এই রুলের আবিষ্কারক । যদিও এটা আমাদের জানা জরুরি না কে সে, কিন্তু সেটা আমাদের চিন্তার বিষয়। আজ আমরা আমাদের নীতি বিবর্জিত হয়ে কবুতর বিক্রি করি। আজ নতুন খামারিদেরকে উৎসাহিত করার কোন পরিকল্পনা নাই। মাঝে মাঝে কিছু উদ্যোগ নিবার প্রচেষ্টা করা হয় মাত্র কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন হয়না কেন যেন কি অদৃশ্য কারনে…! আজ আমরা যার যার তার তার পলিসি অনুসরন করি…! আমরা নিজেদের দাবি করি কবুতর প্রেমী কিন্তু এই কবুতরের জন্য তেমন কিছুই করি না। বরং এটা কিভাবে ধ্বংস তারই পায়তারা করতেছি। এর কারণ কি?

“সব লোকের ঘাড়েই মাথা আছে, কিন্তু মস্তিষ্ক আছে কিনা সেটাই প্রশ্ন। “ -জুভেনাল

পঞ্চমত, আমাদের দেশে যে ধরনের জলবায়ু ও আবহাওয়া তাতে কবুতরে সয়লাব হয়ে যাবার কথা ছিল। কিন্তু যেমন ভাবে এদেশে কবুতর এসেছে বা আসছে ঠিক তেমন ভাবে এই সেক্টর তা উন্নত হয়নি। কারণ আমরা এই প্রাণীটির প্রধান শত্রু। আমাদের মধ্যে কামড়া কামড়ি আমাদের এই খাতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। আমাদের খামারিদের আরেকটি অন্যতম প্রধান শত্রু কবুতরের রোগ ব্যাধি, তার থেকেও বড় শত্রু এদেশের পশু ডাক্তার আর না জানা কিছু স্ব উদ্যোগীর উল্টাপাল্টা চিকিৎসা আর ৩-৪ পদের অ্যান্টিবায়টিক প্রয়োগ, রোগ না জেনে ঔষধ উপদেশ, হাঁস মুরগির ভ্যাকসিন অপব্যাবহার যদিও জানে তারপরও কেন যেন এক হ্যামিলনের বাঁশির সুরেই হোক অসাধু চক্রের টানেই হোক বা মানুষিক প্রশান্তির কারনেই হোক এই ভ্যাকসিন দেন। জিজ্ঞাস করলে বলেন ভাই আমি তো নতুন, যেন একথাই সকল সমস্যার সমাধান আর এটা বললেই বোধ হয় সব দায়িত্ব বোধ থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে…! ধরুন আপনি একটা নতুন জায়গায় গেছেন সেখানে আপনি কিছু চিনেন না বা কাউকেই জানেন না আপনি কাউকে জিজ্ঞাস করলেন ভাই এই ঠিকানা তা কোথায় সে আপনাকে ঠিকানা বলে দিল আপনি জানেন না সে সঠিক ঠিকানা দিল না ভুল যদি আপনাকে সে ভুল ঠিকানা দেয় তাহলে আপনি আপনার গন্তব্য পাবেন না। কিন্তু সে যদি আপনাকে আপনাকে সঠিক ঠিকানা বলে আর আপনি আপনার গন্তব্যের ঠিকানায় না গিয়ে সারাদিন ঘুরে বেরালেন আর আপনি বললেন ভাই আমি তো নতুন তাহলে কিন্তু আপনি সঠিক কাজটি করেননি। আর কবুতরের ক্ষেত্রে যদি আপনি সেই একই কাজটি করেন তাহলে আপনাকে দুই হাত জোড় করে বলছি ভাই আপনার কবুতর পালার দরকার নাই। সুধু ফুটানি মারার জন্য বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য আপনি কখনও কবুতর পালার চেষ্টা করবেন না। কারণ আজ আপনাদের মত পালকদের কারনে এই সেক্টরের করুন অবস্থা। আর যারা এই অনিয়ম দেখেও চুপ থাকে তারাও একই অপরাধে অপরাধি হতে হবে। এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।

“এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না , যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে”-আইনস্টাইন।

আল্লাহ্‌ বলেন, “তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও এবং নিজেরা নিজেদেরকে ভূলে যাও, অথচ তোমরা কিতাব পাঠ কর? তবুও কি তোমরা চিন্তা কর না?”(সূরা আল বাক্বারাহঃআয়াত-৪৪)

আমরা খালি সমস্যাই দেখি সমাধানের পথ খুজি না। কিভাবে এই অশুভ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কিভাবে কবুতরের আগের অবস্থা ফিরিয়ে আনা যায়। কি করলে আমরা আবার বলতে পারব ভাই আমি একজন সত্যিকার কবুতর প্রেমি…!

১) ভাল মানের কবুতর কিনুন, সেটা আমদানি করা হোক বা লোকাল ব্রীড হোক বা দ্বিতীয় জেনারেশনের ব্লাড হোক। সেটা অবশ্যই হতে হবে ভাল মানের কবুতর বিশ্বে যার সুনাম আছে, যেগুলো দিয়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা হয়, প্রদশনি হয়। কোন প্রকার ক্রস ব্রীড না। আজ আমাদের দেশে ভাল মানের কবুতরের থেকে ক্রস ব্রীড কদর বেশী।

২) যদি কোন ব্রীড অতিরিক্ত দাম উঠে যায় সেগুলো আপাতত না কেনা। অন্য ব্রীড এর প্রতি নজর দিয়া।

৩) প্রতিযোগিতা মুলক ভাবে কবুতর না কেনা বা ব্যাবসায়িক লক্ষে কবুতরের পিছনে না ছুটে বেরান।

৪) নতুন খামারিদেরকে সঠিক ভাবে গাইড করা। প্রয়োজনে তাদের নানা ভাবে উৎসাহিত করা। নতুন খামারি পেলেই তাদের কে শোষণ না করা।

৫) উল্টা পাল্টা ঔষধ ও ভ্যাকসিন প্রয়োগের আগে একবার ঠাণ্ডা মাথাই চিন্তা করা।

৬) কার কাছে ভাল কবুতর পাওয়া যাবে বা যে কবুতরটা সেই খামারি খুজতেছে সেটার সন্ধান যদি জানা থাকে তাহলে সেটা সেই খামারি কে জানান।

৭) নিয়মিত একে অপরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা। যাতে খামারিদের মধ্যে সম্পর্ক জরদার হয়।

৮) যদি কোন কবুতর বা খামার কোন রোগে আক্রান্ত হয় আর আপনি যদি সে সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকে, তাহলে যিনি জানেন তার সরনাপন্য হবার পরামর্শ দিয়া। একথা জেনেও না বলা হয় এই ঔষধ ষেই ঔষধ ব্যাবহার করেন, বা আমি এই ঔষধের উপকার পেয়েছে আপনিও এই ঔষধ ব্যাবহার করেন। কারন আপনার কবুতরের রোগের সঙ্গে ষেই ব্যাক্তির রোগের সম্পর্ক নাও থাকতে পারে বা ধরন একই নাও হতে পারে।

৯) কার সম্পর্কে যদি জানেন তাহলে বলেন ভাই উনি ভাল আমি চিনি, যদি লোকের কথা শুনে বলেন সে খারাপ লোক তাহলে সমালোচনা ও অপবাদের গুনার ভাগি হয়ে যাবেন। তাই কারো সমালোচনা করার আগে একবার চিন্তা করবেন অনুগ্রহ করে। একে অপরের কথা লাগান বন্ধ করা ইত্যাদি।

১০) আমরা যারা কবুতর ভালবাসি তারা সবাই একই পরিবারের মত, এই প্রাণীটিকে ভালবাসার কারনে আমাদের সবাইকে একই জায়গায় একত্রিত করেছে। তাই সবার সঙ্গে যোগাযোগ টা খুবই জরুরি। আর এই লক্ষে আজ আপানারা যদি সবাই কে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে আমার বিশ্বাস এই সেক্টর টা আবার আগের মত আল ঝলমলে হয়ে উঠবে।

এছাড়াও গ্রুপ গত ভাবে ভ্যাক্সিনেশন প্রগ্রাম, এক্সিবিশন এর ব্যাবস্থা করা, ভাল খামারি কে পুরুস্কার ব্যাবস্থা প্রবতন ইত্যাদি। এরই লক্ষে খুব শীঘ্রই কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়া হয়েছে অচিরেই এর খবর যথা সময়ে জানান হবে।

আমার এই লেখা বা উদ্যোগ যদি ভাল লাগে আর আমার সাথে যদি একমত হন। তাহলে আগিয়ে আসুন সবাই এক সাথে, দেখি না একবার শেষ চেষ্টা করে। এই সেক্টরের কতটুকু উন্নত করা যায়। আমাদের সবারই প[অরচয় কল্পে এই পোস্টের মন্তব্যে কোন প্রকার প্রশংসা মুলক কথা বা ধন্যবাদ না দিয়ে আসুন আমরা আমাদের ১) নাম ২) ফোন নাম্বার ৩) এলাকার নাম ৪) জেলার নাম উল্লেখ করি। পরবর্তীতে এগুলো একটা ফাইলে একযোগ করে ফোন ডাইরেক্টরি হিসাবে আপনাদের সেবাই কে পেশ করা হবে। যারা গাইড চান তারা সহজেই খামার সম্পর্কে গাইড পেয়ে যাবেন। একজন একজনকে ফোন করে। কোন কিছু জানতে চান তারা সহজে জেনে যাবেন, একজনকে কল করে। আর এতে সবাই সবার সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি হবে বলে আশা রাখি। আল্লাহ্‌ আমাদের সকলের সহায় হন। আমীন।

“শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। পক্ষান্তরে আল্লাহ তোমাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বেশী অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ। (সূরা আল বাক্বারাহঃআয়াত-২৬৮)

লেখক : সোহেল রাবি ভাই