কবুতরের ম্যালেরিয়া রোগ (Pigeon Malaria)

কবুতরের ম্যালেরিয়া রোগ (Pigeon Malaria)

“তুমি মনে করো না, যারা নিজেদের কৃতকর্মের উপর আনন্দিত হয় এবং না করা বিষয়ের জন্য প্রশংসা কামনা করে, তারা আমার নিকট থেকে অব্যাহতি লাভ করেছে। বস্তুতঃ তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।“(সূরা আল ইমরানঃআয়াত-১৮৮)

আমি, কবুতরের রোগব্যাধি সম্পর্কিত যা আছে তা সকল খামারিদের মধ্যে শেয়ার করতে সব সময় চেষ্টা করেছি ও করছি অনবরত। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু জিনিস মানসিক পীড়া দেয় প্রচণ্ড, যখন আমার এই কষ্ট সাধ্য লিখা অনায়াসে নিজের নামে কপি করে চালাই কতিপয় কিছু লোক, তাই এই ব্যাপারে আমি আর লিখি নাই, শুধুমাত্র কেস স্টাডি আকরে রোগের ও কার্যক্রমের কিছু ইঙ্গিত দিবার চেষ্টা করেছি। কিছুদিন মনের সাথে লড়াই করে। আল্লাহ্‌র এই আয়াতটি মনে পরে গেল। আসলেই তো আমি কেন চিন্তা করি এসবের ? সকল প্রশংসা ও তারিফ তো শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালার আমি তো উসিলা মাত্র। তাই দ্বিতীয় কোন চিন্তা না করেই আল্লাহ্‌র উপর সমস্থ কিছু ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে আজ এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট টা লিখলাম, আশা করি খামারিরা এতে উপকৃত হবেন।

একবার বাংলাদেশে জাতিসংঘ থেকে একদল পরিদর্শক দল আসল এ দেশের এক বিশেষ জরিপের জন্য, পরে তারা বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ পরিদর্শন করল। সেখানের ছাত্রদের এক এক করে জিজ্ঞাস করল তুমি কি হতে চাও? কেউ বলল ডাক্তার কেউ ইঞ্জিনিয়ার কেউ পাইলট ইত্যাদি। পরে তারা জরিপ শেষে তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিল যে, তোমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, একজন ছেলেও পেলাম না যে সে, কৃষক হতে চাই। এটা তোমাদের জন্য খুবই বিপদজনক। এ রকম যদি কোন জরিপ করা হয় কবুতর সেক্টরে তাহলেও আমরা দেখব যে, আমাদের দেশে অধিকাংশ (৯০% প্রায়) খামারি কবুতর পালে শুধুমাত্র পালার জন্য, নামের জন্য বা ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য। কবুতর কে ভালবাসে বা শখের বসে কবুতর খামারি হয় শুধুমাত্র (১০% প্রায়)। আর সমস্যার সূত্রপাত এখানেই ! শুধু তাই নয় আমাদের দেশের খামারিরা কবুতরের রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গাফেলতি করেন। কোন কবুতরের রোগ হলে মানে ঝিমাতে দেখেলেই খামারিদের করনীয় হল। সেটাকে ধরে ঠিকমত পরখ করা।

১) তার মুখের ভিতরে কফ আছে কিনা বা লালা ধরনের কিছু আছে কিনা?
২) সাদা সাদা বা হলদে ধরনের কিছু আছে কিনা?
৩) হাঁচি বা কাশি দেয় কিনা?
৪) হাঁ করে শ্বাস নেয় কিনা?
৫) সবুজ ও হালকা হলদে ধরনের পায়খানা করে কিনা?
৬) মুখে গন্ধ আছে কিনা? ইত্যাদি পরীক্ষা করা। কিন্তু সেটা না করেই বলেন কবুতর ঝুমাচ্ছে।

কোন প্রশ্ন করা হলে না দেখেই বলেন না এসব কিছু নাই। ঠিক ৩-৪ দিন পরই বলেন যে, এসব লক্ষণ আছে, এর মানে আপনি ইতিমধ্যে চিকিৎসা ব্যাবস্থা থেকে এই সময়টা পিছিয়ে গেলেন। আর যদি মারা যায় তাহলে নিজের দায়িত্ব এড়ানোর জন্য বলা হয়। যে তার হায়াত ছিল না বা চিকিৎসা ঠিকমত হয়নি বা যিনি ঔষধ দিয়েছেন তিনি ঠিকমত ঔষধ দিতে পারেননি ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলেই কি এ কথা বলে পার পাওয়া যাবে? আল্লাহ্‌ ভাল জানেন। তবে এ প্রসঙ্গে আবার সেই হাদিস টি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই।

রসূল(সঃ) বলেন, “একজন মুসলিম যিনি একটি পোষা প্রাণী রাখতে পছন্দ করে, তার দায়িত্ব হল ভালমত এর যত্ন নেয়া,যথাযথ খাদ্য, পানি এবং আশ্রয়ের ব্যাপারে খেয়াল করা আবশ্যক। কোন বাক্তি যদি একটি পোষা প্রাণীর যত্নর ব্যাপারে উপেক্ষিত হয় তার কঠিন শাস্তি বর্ণনা করেছেন।“

গত ঈদুল ফিতর এ একজন সামাজিক সাইট এ তার খামারে পাখিদের লম্বা সারি করা মৃত দেহগুলোর ছবি গর্ব ভরে দিয়ে কাহিনী লিখল, এ রকম যে সে গ্রামের বাড়িতে ঈদের ছুটিতে বেড়াতে গেছিলো ৩ দিনের জন্য, আর তার খামারে সেই মত খাবার ও পানি রেখে গেছিলো। কিন্তু সে সাতদিন পর বাড়ি ফিরল! আর ফিরেই এই ঘটনা দেখল। সেই এই ঘটনা লিখে একটু সহানুভুতি পাবার একটা বৃথা চেষ্টা করেছিল মাত্র, আর অনেকেই কিছু না বুঝেই তাকে সান্তনা দিয়েছিল। আর তাতে সে হয়ত মনে মনে একটু খুশি হয়েছিল হয়ত। কিন্তু আমি তাকে কোন সান্তনার বানী শুনাতে পারিনি, এটা দেখে রাগে দুঃখে চোখে পানি চলে এসেছিল আমার, আর সেই অমানুষটাকে আমি আমার বন্ধু তালিকাতে আর রাখতে পারিনি। এ রকম এই ঈদেও অনেকেই খাবার ও পানি দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। কিন্তু তারা হয়ত ভুলে গেছেন এগুলো হল প্রাণী, তারা হিসাব করে খেতে ও পান করতে জানে না। কিন্তু কাকে শোনাব এ সব কথা। যাকে বলব তারাত জেগে ঘুমান দলের লোক!

এদের সম্পর্কে আল্লাহ্‌ বলেন, “তারা কি এই উদ্দেশ্যে দেশ ভ্রমণ করেনি, যাতে তারা সমঝদার হৃদয় ও শ্রবণ শক্তি সম্পন্ন কর্ণের অধিকারী হতে পারে? বস্তুতঃ চক্ষু তো অন্ধ হয় না, কিন্তু বক্ষ স্থিত অন্তরই অন্ধ হয়।“( সূরা হাজ্জ্বঃআয়াত-৪৬)

আল্লাহ্‌ তায়ালা আরও বলেন, ”আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।“(সূরা আল বাক্বারাহঃআয়াত-৭)

রোগ বর্ণনাঃ

আমাদের খামারে কোন কবুতর যখনি অসুস্থ হয় তখনি আমরা কোন না কোন ঔষধ প্রয়োগ করি। কিছু ক্ষেত্রে হয়ত ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়। তাও সেগুলো বেশির ভাগই অনুমানের উপর ভিত্তি করে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা জানি না কোন রোগের জন্য আমরা এই ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে। আর কোন রোগের জন্য কোন ঔষধ প্রয়োগ করা হয়। আর কতদিন এই সব ঔষধ প্রয়োগ করতে হয় তা ৯৫% খামারিরাই জানেন না। এমনকি আমাদের দেশের অধিকাংশ পশু ডাক্তাররাও অনেক রোগ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না বা এই ধরনের রোগের ক্ষেত্রে কি ধরনের ঔষধ প্রয়োগ করা উচিৎ সে সম্পর্কে নিজেকে প্রস্তুত করতেও প্রস্তুত না উনারা। আর এর ফল ভোগ করেন নিরীহ খামারিরা। তাই আপনাকে আগে রোগের সঠিক ধরন তা জানতে হবে চিকিৎসা শুরু করার আগে। তাহলেই কেবল আপনার পরিশ্রম সার্থক হবে। না হলে সব কিছুই ভেস্তে যাবে কোন সন্দেহ নাই।

কবুতরের ম্যালেরিয়াঃ
================

Plasmodiosis বা ম্যালেরিয়া ধিরে ধিরে দৃশ্যমান হয়ে উঠা একটি অতি জঘন্য ধরনের প্রচলিত রোগ। যাকে তথাকথিত নদীর রোগও বলা হয়। এই রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময়ই কোন লক্ষণ প্রকাশ পাই না। কিন্তু একটু ভাল করে খেয়াল করলেই লক্ষণ গুলো ধরা পরে। এটি পোকামাকড় দ্বারা সৃষ্ট পৃথিবীতে প্রচুর পাখি ও কবুতরের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসাবে ধরা হয়।

কারনঃ
=====

১) এটি কবুতরের গায়ের রক্ত শোষক মাছি যার নাম জকি বলা হয় (যদিও অনেক পশু ডাক্তার মনে করেন সাধারন মাছি এই রোগের কারণ কিন্তু আসলে তা সঠিক না।) ও স্ত্রি মশা যাকে আনোফেলিস বলা হয়। এই দুটি প্রাথমিক বাহক হিসাবে কাজ করে থাকে। যা পরে অন্তর্বর্তী হোস্ট হিসাবে কাজ করে। যারা প্রটোজোয়ান নামক জীবাণু কবুতরের শরীরে অনুপ্রবেশ ঘটায়। যার ফলে এই জীবাণু কবুতরের লাল রক্ত কোষে আক্রমন করে এটিকে আস্তে আস্তে ধ্বংস করে ফেলে। ফলে কবুতরে করুন মৃত্যু ঘটে।

২) বাইরের পাখি বা কবুতর এই রোগের বাহক হিসাবেও অনেক সময় কাজ করে থাকে।

৩) আক্রান্ত কবুতর বা পাখি থেকে অন্য কবুতরের মধ্যে সংক্রমিত হতে দেখা যায়।

৪) আক্রান্ত পাখি বা কবুতরের মল বা বিষ্ঠা থেকে এই রোগ সংক্রমিত হয়।

৫) মশা উৎপন্ন হয় যেখানে এ রকম আবহাওয়া বৈশিষ্ট্য স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশের কারনেও হতে পারে।

লক্ষণঃ
====

১) মুখ হাঁ করে শ্বাস নিবে কিন্তু মুখের ভিতরে কোন কফ বা সাদা ধরনের কিছু থাকবে না। (যদিও অনেকেই এটাকে ডিপথেরিয়ার লক্ষণ বলেও ভুল করে থাকে।)

২) বুকের নিচে পাতলা হাড্ডির কাছে লোম শূন্য ও প্রচুর খুস্কি দেখা যাবে। (যদিও অনেক সময় সুস্থ কবুতর অনেক দিন গোসল না করার ফলেও এ ধরনের খুস্কি দেখা যেতে পারে।)

৩) পালকের উজ্জলতা বা মসৃণ বা তেলতেলে ভাবতা নষ্ট হয়ে যাবে।

৪) কবুতর কে ধরলেই সেটা সাদা সাদা ধরনের বমি করবে ও প্রচণ্ড হাঁপাবে। ও মুখের ভিতরে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ থাকবে যা অনেক সময় দূর থেকেই পাওয়া যায়। (যদিও ডিপথেরিয়ার ক্ষেত্রেও একই ধরনের লক্ষণ দেখা যাই।) যদিও কিছু খেলেও বমি করার প্রবনতা থেক্তে পারে।

৫) ফ্যাঁকাসে ও সাদা ঠোঁট দেখা যাবে। (সুস্থ কবুতরের মত গোলাপি ধরনের ঠোঁট থাকবে না)

৬) কবুতরের মধ্যে উদ্যমতা থাকবে না উদাসীনতা প্রকাশ পাবে। অর্থাৎ হটাত করে চমকে উঠবে।

৭) গায়ের তাপমাত্রা বেশী হবে স্বাভাবিকের থেকেও ও একটানা জ্বর থাকবে গায়ে।

৮) রক্তাল্পতা প্রকাশ পাবে।

৯) কবুতর খুবই খুব দুর্বল হয়ে পড়বে অল্পদিনের মধেই ও টলে পড়ে যাবে।

১০) পায়খানার তেমন কোন বিশেষ লক্ষণ চোখে পড়বে না, তবে পাতলা হলুদ বা সাদা ও সবুজ মিক্স ধরনের থাকবে। অথবা সাদা জমাট আঠাল ধরনের হতে পারে।

১১) এই রোগ সাধারণত বাচ্চা অর্থাৎ ইয়ং কবুতর ও ডিম পাড়া মাদী কবুতর বেশী এক্রান্ত হতে দেখা যায়।

১২) পাখা ঝুলে যাবে ও লেজ নেমে থাকবে।

১৩) এই রোগে কবুতরের লিভার অনেক বড় হয়ে যাই, আর রক্ত কোষের সংখ্যা কমে যাবার ফলে কয়েকদিনের মধ্যেই কবুতরের মৃত্যু ঘটবে।


প্রতিরোধঃ
=======

যেহেতু এই রোগে একবার আক্রান্ত হলে সেই কবুতর ম্যালেরিয়ার জীবাণু আজীবন বহন করে। তাই এই রোগের প্রতিকারের থেকে প্রতিরোধ করাটাই ভাল।

১) আপনার খামারে যেন পানি না জমে বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেখানে মশা ডিম উৎপাদন করতে না পারে।

২) বাইরের পাখি বা কবুতর যে খামারে প্রবেশের সুযোগ না পায় তার যথাযথ ব্যাবস্থা নিতে হবে।

৩) কবুতরের গায়ে যেন মাছি না জন্মে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে, এ জন্য তাদের গোসল করার ব্যাবস্থা করা বা নিজে ধরে গোসল করাতে হবে।

৪) অন্য কবুতরের সঙ্গে মিশলে সেই কবুতর গুলোকে ভাল করে ধুলো মুক্ত করা বা জীবাণু মুক্ত করা। যাতে খামারে জীবাণু প্রবেশ না করে।

৫) নিয়মিত জীবাণু মুক্ত স্প্রে করা।

৬) খামার নিয়মিত পরিস্কার পরিছন্ন রাখা।

৭) হোমিও Eupatorium perfo 30 ১ সিসি ১ লিটার পানিতে মিক্স করে মাসে একবার করে দিলে প্রতিরোধের জন্য ভাল উপকার পাওয়া যায়।

৮) রসুন পানি মাসে একবার অন্তত পরিবেশন করুন। ২ চামচ রসুন বাঁটা ১ কাপ পানিতে মিক্স করে ছেকে ১ লিটার পানিতে মিক্স করে দিন।

৯) অ্যাপেল সিডার মাসে অন্তত একবার পরিবেশন করুন ১ সিসি ১ লিটার পানিতে।


প্রতিকার/ চিকিৎসাঃ
===============

১) এই রোগের চিকিৎসা একটু ধৈর্যশীলতা পরিচয় দিতে হয়। কারণ রোগ চিকিৎসা ৫২ দিন পর্যন্ত চালাতে হয় লাল রক্ত কোষ গুলো আবার আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে।

২) রোগ ভাল হবার পরও সপ্তাহে বা মাসে ১-২ দিন এই চিকিৎসা চালাতে হতে পারে।

৩) আয়রন ও জিঙ্ক ভিটামিন দিতে হবে যাতে লাল রক্ত কোষ বাড়তে সাহায্য হয়।

৪) ১/৪ ভাগ AVLOQUIN (Chloroquine phosphate) + ১/৪ ভাগ JASOPRIM (primaquine) + ১ গ্রাম গ্লুকোজ+ ১ স্যালাইন =১০ সিসি পানিতে মিক্স করে দিনে ৩ বার করে দিতে হবে।

৫) চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে যেন কোন ভিটামিন ও মিনারেলস বাদ না পরে যথাবিধি সেগুলোকে প্রয়োগ করতে হবে।

৬) তবে সব থেকে কার্যকরী ঔষধ হল ARALEN WS Tablet (imported) প্রয়োগ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।

ময়না তদন্তঃ যদি আপনি কবুতরে কে ব্যাবচ্ছেদ করেন তাহলে দেখবেন ওর লিভারের গায়ে অনেক ছোট ছোট কাল ফোঁটা ফোঁটার মত জমাট রক্তর মত হয়ে আছে ও হালকা কালচে বরন ধারন করেছে।

আর সর্বোপরি মনে রাখতে হবে যে, আপনি যদি রোগ নির্ণয়ে অসুবিধা হয় তাহলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ সাহায্য নিতে হবে, বিশেষ করে এই রোগ নির্ণয় করা বেশ কঠিন; কারণ এই ম্যালেরিয়ার লক্ষণ অন্যান্য রোগের লক্ষণের অনুরূপ হয়।

“যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।“(সূরা আল যূমারঃআয়াত-১৮)

মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই

অক্টোবর 11, 2014 11:15 অপরাহ্ন

8003 সর্বমোট দেখা হয়েছে, 0 আজকে