কবুতরের ঠোঁটের সমস্যা ও চিকিৎসা (Pigeon Beak Treatment)

পাখি বা কবুতরের ঠোঁট, শিঙ বা আঙুলের আঙ্গুলের নখ, চুল ইত্যাদি গঠনকারী এক ধরনের প্রোটিন বা কোষ দিয়ে তৈরি হয়। শিং বা আঙুলের নখের মত, ঠোঁট দিনে দিনে বেড়ে চলে। আর এটা পাখি বা কবুতরের প্রজাতির উপর নির্ভরশীল। প্রজাতি ভেদে কিছু একটি পাখি বা কবুতরের ঠোঁট বা নখ এক থেকে তিন ইঞ্চি বৃদ্ধি পেতে পারে প্রতি বছর। ঠোঁটের সংযোগ অংশ রক্ত সরবরাহকারী কোষ দিয়ে তৈরি এবং শেষাঅংশ নখের মত সেখানে কোষ থাকে না ফলে অনুভূতি থাকে না। ঠোঁটের সমস্যা ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে (ক) অস্বাভাবিক বা শারীরিক বা জিনগত সমস্যা। (খ) রোগের সংক্রমণ বা জীবাণু ঘটিত সমস্যা এবং (গ) দুর্ঘটনা বা আঘাত ও বৈদ্যতিক শক জনিত সমস্যা। (ক)অস্বাভাবিকতার দিক দিয়ে ঠোঁট কে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ১) প্রবৃদ্ধ ঠোঁট ২) কাঁচি ঠোঁট ও ৩) বাকান বা তোতাপাখির মত ঠোঁট । ১) প্রবৃদ্ধ ঠোঁট: সাধারনত উপরের ঠোঁট নিচের ঠোঁটের থেকে বা নিচের ঠোঁট উপরের ঠোঁট থেকে অস্বাভাবিক ভাবে লক লকিয়ে বেড়ে ওঠে। এ ধরনের অস্বাভাবিকতার জন্য নিয়মিত ঠোঁট ছাঁটাই বা পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। প্রবৃদ্ধ ঠোঁট সাধারণত ভয় বা স্ট্রেস, পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা, বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণ, লিভারে…
বিস্তারিত পড়ুন about কবুতরের ঠোঁটের সমস্যা ও চিকিৎসা (Pigeon Beak Treatment)
  • 0